• শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০১:০৬ পূর্বাহ্ন
Headline
সান্তাহার হার্ভে সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের কাছে কোচিংয়ে না পড়লে শিক্ষার্থীদের ফেল করিয়ে দেওয়ার হুমকি আটোয়ারীতে প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা দিনাজপুরে শ্রমিক নেতা শেখ বাদশা গ্রেপ্তার: সড়ক অবরোধ, সংঘাত ও যানবাহনে অগ্নিসংযোগ পালংখালী উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত। রামদাসপুর সীমান্ত দিয়ে ৬ জনকে পুশ-ইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ব্যর্থ ভূমি অফিসের অনিয়মের সংবাদ প্রকাশের পর সাংবাদিককে নিয়ে ফেসবুকে আপত্তিকর পোস্টের অভিযোগ দিনাজপুরে থানা চত্বরে সংঘর্ষ ও সড়ক অবরোধে থমকে গেছে জনজীবন ঝালকাঠিতে অচেনা কিশোরীর সন্ধান চাচ্ছে এলাকাবাসী বদলগাছীতে জামায়াতে ইসলামীর যুব বিভাগে ৩৪ যুবকের যোগদান দিনাজপুরে ২১৭ বস্তা স্যার জব্দ, আটক ১

ফেনী, কুমিল্লা, ঢাকা, দায়িত্বে থাকাকালীন সময়ে দূর্নীতি’র রাজত্ব কায়েম করে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করেছেন; সহায় সম্পদ গড়ে তোলেছেন

মোঃ ইব্রাহিম খলিল, ময়মনসিংহ: / ৮৫ Time View
Update : শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬

ময়মনসিংহ টিচার্স ট্রেনিং কলেজ (পুরুষ) অধ্যক্ষের বাস ভবন কমপ্লেক্সটি ধ্বংসের পথে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে-২

আমরা গত ১৩ই জুন ২০২৬ ইং এই অনলাইন পোর্টালে “ময়মনসিংহ টি.টি কলেজ (পুরুষ) অধ্যক্ষের বাসভবন কমপ্লেক্সটি পরিকল্পিত ভাবে ধ্বংস করা হচ্ছে” শীর্ষক শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ করেছিলাম আমাদের এ সংখ্যায় উক্ত সংবাদটির তথ্যগত সংযোজন সংস্কার করে ২য় বার তা প্রকাশ করা হলো ময়মনসিংহ সরকারি শিক্ষক প্রশিক্ষণ মহাবিদ্যালয় টি.টি.(পুরুষ) কলেজ-এর বর্তমান অধ্যক্ষ রিজিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম, দূর্নীতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সূত্রমতে, অতীতেও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালনকালে তিনি একাধিকবার বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে আলোচনায় এসেছিলেন এবং অভিযুক্ত প্রমানিত হয়ে (ওএসডি) হয়েছেন।
পরবর্তীতে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সরকারি কলেজ-২ শাখা থেকে ২৬ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে জারিকৃত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ওএসডি অধ্যাপক (শিক্ষা) রিজিয়া সুলতানাকে মাউশি অধিদপ্তর, ঢাকা থেকে সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, ময়মনসিংহে বদলি ও পদায়ন করা হয় যাহার স্মারক নং—৩৭০০০০০০.০৯০.০০০৪.১৮৪১০। এবং দায়িত্বভার বুঝে নেন এর পরই তিনি তার পূর্ব কর্মস্থলের কর্মকান্ড নিয়ে পরিকল্পনা শুরু করেন এবং তা বাস্তবায়নে তারই অংশ হিসাবে চিঠি দেয়া নেয়া করেন।
পরবর্তীতে ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর (ইইউ), ময়মনসিংহের নির্বাহী প্রকৌশলী, সহকারী প্রকৌশলী ও উপ-সহকারী প্রকৌশলীর যৌথ স্বাক্ষরিত পরিদর্শন প্রতিবেদনে অধ্যক্ষের বাসভবন, গাড়ী রাখার গ্যারেজ ও গার্ড হাউস সম্পর্কে উল্লেখ করা হয় যে ভবনের চারপাশে আগাছা রয়েছে, বিভিন্ন দেয়াল স্যাঁতসেঁতে, রং নষ্ট, ছাদ দিয়ে পানি পড়ে, টয়লেটের স্যানিটারি ফিটিংস অকার্যকর এবং বৈদ্যুতিক ত্রুটি বিদ্যমান। এছাড়া নিরাপত্তা বেষ্টনী, গেট ও পুকুরপাড় জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে এ ভবনের সংস্কারের জন্য কোনো বরাদ্দ পাওয়া যায়নি।
তবে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী দেখা যায় যে মাত্র ১টি ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে সংস্কারের জন্য বরাদ্দ পাওয়া যায়নি কিন্তুু প্রতি বছরই মেরামত করার জন্য তো বিগত দিনগুলোতে নিয়মিত অর্থ বরাদ্দ না থাকলেও ঐ সময়গুলোতে সাবেক অধ্যক্ষরা ঠিকই বসবাস করতেন। সার্বিক মেরামত ও সংস্কার ও রিমডেলিং কাজ ২৭ শে আগষ্ট ২০১৬ উদ্বোধনের পর ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে পুঃরায় মেরামত ও সংস্কার কাজ করার কোন প্রয়োজন পড়েনি তবে কলেজ-সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র দাবি করেছে, এর আগের বছরগুলোতে একই বাসভবনে অধ্যক্ষরা বসবাস করেছেন এবং শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে লাখ লাখ টাকা ব্যয়ে বাসভবনটি সংস্কার ও আধুনিকায়ন করা হয়েছিল। ফলে ভবনটিকে সম্পূর্ণ ব্যবহার অনুপযোগী হিসেবে চিহ্নিত করার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তারা।

তবে বিগত ১৫/১৬ বছরে অধ্যক্ষ বাস ভবন কমপ্লেক্স মেরামত ও সংস্কার কাজে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর লাখ লাখ টাকা ব্যায় করেছেন তদন্ত করলেই কি পরিমাণে ও কত টাকা ব্যায় হয়েছে তা বেরিয়ে আসবে।
এ সময়ে সাবেক ও বর্তমান পিআরএল এ থাকা অধ্যক্ষ জয়নাল আবেদীন খান এ বাস ভবনে তার বসবাসের সময়ে বিগত অর্থ বছরে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের ইষ্টিমিট অনুযায়ী বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যায় করে সম্পূর্ণ মেরামত করা হয়েছিলো। এ সময়ে  ভবনে টাইলস ও থাই ফিটিংস দিয়ে উন্নত করা হয় এ ছাড়াও সাবেক সরকারের ধর্ম মন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান এর নির্দেশে ময়মনসিংহ সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ (পুরুষ) সার্বিক উন্নয়নের মধ্যে অধ্যক্ষ বাস ভবনটি শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের ইষ্টিমিট অনুযায়ী লাখ লাখ টাকা ব্যায় করে মেরামত, সংস্কার ও অত্যাধুনিক ভাবে রিমডেলিং করা হয়। তিনি গত ২৭শে আগষ্ট ২০১৬ ইং তারিখে উক্ত উন্নয়ন মুলুক কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।  

এদিকে ৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে কলেজের এক স্মারকে যাহার নং-টি.টি.ক/ময়-১৫/২৬ অধ্যক্ষ রিজিয়া সুলতানা কলেজ হোস্টেলের নিচতলার ১১৩ নম্বর কক্ষের একটি সিট বরাদ্দের আবেদন করেন। আবেদনপত্রে তিনি সরকারি বিধি অনুযায়ী প্রাপ্য বাড়ি ভাড়ার ১০ শতাংশ কর্তনের বিষয়টি উল্লেখ করেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, আবেদনপত্রের তারিখের আগেই, তিনি ওই কক্ষে অবস্থান শুরু করেন।
উল্লেখ্য যে টিটি কলেজ (পুরুষ) ছাত্র হোস্টেল কে অস্থায়ী ভাবে র‍্যাব-১৪ এর ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তর থাকাকালীন সময়ে অধিনায়ক যে কটি কক্ষ নিয়ে অস্থায়ী ভাবে বসবাস করতেন সেই ভবন ছেড়ে দেওয়ার পর উক্ত ভবনে যাহা টাইলসকৃত কক্ষ গুলোতে অধ্যক্ষ রিজিয়া সুলতানা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ১টি মাত্র সিটের বরাদ্দ নেন উদ্দেশ্য হাউস রেন্ট ফাঁকি দেওয়া বা অভিনব কৌশলে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করা।

এর পরে ১২ মার্চ ২০২৬ তারিখে কোতোয়ালি মডেল থানায় দাখিলকৃত একটি সাধারণ অভিযোগে অধ্যক্ষ রিজিয়া সুলতানা উল্লেখ করেন যে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের পরিদর্শনের তিন থেকে চার দিন আগে দুর্বৃত্তরা বাসভবনে প্রবেশ করে দরজা, জানালা, গ্রিল, কাচ, বাথরুমের বেসিনসহ বিভিন্ন সামগ্রী চুরি করে নিয়ে যায়। তবে সংশ্লিষ্ট পরিদর্শন প্রতিবেদনে এমন কোনো চুরির ঘটনার উল্লেখ পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে অধ্যক্ষের সরকারি বাসভবনটি রিজিয়া সুলতানা যোগদান করার পর থেকেই খালি পড়ে রয়েছে। ফলে ভবন ও এর আশপাশের অবকাঠামো অযত্নে নষ্ট হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, যে কলেজের নিজস্ব বিবিধ খরচের জন্য অর্থ থাকা সত্বেও উক্ত তহবিল থেকে অধ্যক্ষ বাস ভবন কমপ্লেক্স এর অভ্যন্তরে যে ঝোপঝাড় জঞ্জাল গজিয়েছে তা সামান্য কয়েক হাজার টাকা ব্যায় করলে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা হয়ে যেতো অথবা সিটি কর্পোরেশনকে অবহিত করলে তাতেও ঝোপঝাড় পরিষ্কার করা হতো। অধ্যক্ষ রিজিয়া সুলতানা তা না করে এর দৃশ্যমান ধ্বংস দেখার অপেক্ষায় ছিলেন এবং তাই হতে চলছে আর এর অব্যবহৃত উল্লেখ্য যে উপরোল্লিখিত অধ্যক্ষ রিজিয়া সুলতানার ২৬শে নভেম্বর ২০২৫ইং তারিখে ময়মনসিংহ টিটি কলেজে (পুরুষ) যোগদান করার আগে বিগত সময়ে পরপর যে তিনটি টিটি কলেজে যোগদান করেন সেসব জায়গায় যে পরিকল্পনা মাফিক অধ্যক্ষ বাস ভবন কে বসবাসের অনুপোযোগী ও অকার্যকর করতে যা যা পরিকল্পনা করেছিলো ও পরবর্তীতে তা প্রকাশ পেয়ে গেলে তা ধরা খেয়ে যান। সেই একই রকম কর্ম পরিকল্পনা ময়মনসিংহে যোগদান করেই তার কার্যক্রম শুরু করেছেন। প্রথমে স্মারক নং টিটিক/২২১/১(৬) তারিখ ২৯/১১/২০২৫ ইং এ শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে অধ্যক্ষ বাস ভবন পরিদর্শনের জন্য আবেদন করেন রিজিয়া সুলতানা তার আবেদনের প্রেক্ষিতে এরপর তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ই.ই.ডি বাস ভবন কমপ্লেক্সে পরিদর্শন করেন এবং তার রিপোর্ট প্রদান করেন গত ১৪/১২/২০২৫ইং। ঐ রিপোর্ট ছিলো ই.ই.ডি’র স্ববিরোধী
যে খানে বাস ভবনটিকে বসবাসের অনুপোযোগী ও মেরামত করার মত ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে বরাদ্দ নেই বলে জানান।এরপরই অথাৎ ০৮/০১/২০২৬ ইং এ ছাত্র হোস্টেলে তার থাকার জন্য ১টি সিট বরাদ্দের জন্য আবেদন করেন ০১/০১/২০২৬ ইং তারিখে। অস্থায়ী ভাবে ১০% বাড়ী ভাড়া কর্তন সহ উক্ত সিটে বসবাস করা শুরু করেন কিন্তুু উক্ত হোস্টেলের টাইলস থাই ফিটিংস সহ চার কক্ষ বিশিষ্ট অস্থায়ী র‍্যাব অধিনায়কের বাস ভবনের দখল নিয়ে অধ্যক্ষ রিজিয়া সুলতানা বসবাস শুরু করছেন এটিকে তিনি ১ সিটের হিসেবে বরাদ্দ করান যাহার স্মারক নং টিটি-ক/ময়-২৬৩/১(ক)তাং—১৬/১২/২০২৫ ইং এর পরই তিনি স্মারক নং টিটি.ক/ময়-১১৯ তাং— ১২/০৩/২০২৬ তারিখে কোতোয়ালি মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ বরাবর একটি অভিযোগ পত্র দায়ের করেন। সেই আবেদনে তিনি রিজিয়া সুলতানা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রতিবেদন সংযুক্ত করেছেন এবং বলেন যে বিগত ৩-৪ দিন পূর্বে কে বা কারা বাস ভবনের মূল্য বান ফিটিংস খুলে নিয়ে গেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেছেন। অথচ শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের পরিকল্পনায় ও ইষ্টিমিট অনুযায়ী মেরামত, সংস্কার, টাইলস ও থাই ফিটিংস সহ রিমডেলিং এবং অত্যাধুনিক ভাবে বসবাস যোগ্য হিসাবে এর নির্মাণ ও আধুনিকায়ন করা হয় আর এর উদ্বোধন করেন গত সরকারের ধর্ম মন্ত্রী অধ্যক্ষ (অবঃ) মতিউর রহমান গত ২৭শে আগষ্ট ২০১৬ ইং তারিখ। উক্ত ভবনে সাবেক অধ্যক্ষ এলপিআরে থাকা জয়নাল আবেদীন খান দীর্ঘ সময় বসবাস করার পর উপাধ্যক্ষকে উক্ত বাস ভবনে উঠিয়ে রেখে যান এবং তিনি প্রায় দুমাসের মাথায় বর্তমান অধ্যক্ষ রিজিয়া সুলতানা যোগদান করলে তিনি বাসাটি তার উঠার জন্য ছেড়ে যান এতে প্রতিয়মান হয় যে বাস ভবন কমপ্লেক্সটি সম্পূর্ণ সচল ছিলো এ ব্যাপারে ই.ই.ডি’র পরিদর্শন প্রতিবেদন রহস্যঘেরা কারণ তাদের তৈয়ারীকৃত ইষ্টিমিট ও প্রাক্কলন অনুযায়ী পরপর দুবার লাখ লাখ টাকা ব্যায়ে সম্পূর্ণ ভাবে মেরামত ও সংস্কার কাজ করানো হয় এবং আরামদায়ক ভাবে বসবাস যোগ্য হিসেবে গড়ে তোলা হয় এবং সে খানে এল.পি.আরে যাওয়া অধ্যক্ষ ও কিছুদিন উপাধ্যক্ষ বসবাস করেছেন। রিজিয়া সুলতানা যোগদান করায় সে বাস ভবনটি ছেড়ে দেন।দায়িত্বরত অধ্যক্ষ এতোসব অপকর্ম করে তা দামাচাপা দিতে ও জায়েয করতে তার তত্বাবধানে তৈয়ারীকৃত ক্রুটিপূর্ণ প্রতিবেদন সংবাদ পত্রে তা ফলাও করে প্রকাশ ও প্রচার করেছেন। ময়মনসিংহের সুশীল সমাজ তার এসব কর্মকান্ডের প্রতি সংশ্লিষ্ট উধ্বর্তন কতৃপক্ষের দৃষ্টি দেয়া সহ সরেজমিনে তদন্ত দাবী করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category