• শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ন
Headline
সান্তাহার হার্ভে সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের কাছে কোচিংয়ে না পড়লে শিক্ষার্থীদের ফেল করিয়ে দেওয়ার হুমকি আটোয়ারীতে প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা দিনাজপুরে শ্রমিক নেতা শেখ বাদশা গ্রেপ্তার: সড়ক অবরোধ, সংঘাত ও যানবাহনে অগ্নিসংযোগ পালংখালী উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত। রামদাসপুর সীমান্ত দিয়ে ৬ জনকে পুশ-ইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ব্যর্থ ভূমি অফিসের অনিয়মের সংবাদ প্রকাশের পর সাংবাদিককে নিয়ে ফেসবুকে আপত্তিকর পোস্টের অভিযোগ দিনাজপুরে থানা চত্বরে সংঘর্ষ ও সড়ক অবরোধে থমকে গেছে জনজীবন ঝালকাঠিতে অচেনা কিশোরীর সন্ধান চাচ্ছে এলাকাবাসী বদলগাছীতে জামায়াতে ইসলামীর যুব বিভাগে ৩৪ যুবকের যোগদান দিনাজপুরে ২১৭ বস্তা স্যার জব্দ, আটক ১

সান্তাহার হার্ভে সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের কাছে কোচিংয়ে না পড়লে শিক্ষার্থীদের ফেল করিয়ে দেওয়ার হুমকি

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি: / ১২৭ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি:
বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার হার্ভে সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এক সিনিয়র শিক্ষক মাহবুবুল হকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসৌজন্য মূলক আচরণ এবং জোর পূর্বক তার কোচিং সেন্টারে পড়তে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে। এই বিষয়ে প্রতিকার এবং সুষ্ঠু তদন্ত চেয়ে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকালে বিদ্যালয়ের সাধারণ অভিভাবকবৃন্দের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত সিনিয়র শিক্ষক মাহবুবুল হক বেশ কিছুদিন ধরে রহস্যজনক ভাবে ক্লাসের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিভিন্ন সময় অসৌজন্য ও দুর্ব্যবহারমূলক আচরণ করে আসছেন। শিক্ষকের এমন রুক্ষ আচরণের কারণে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মনে তীব্র ভীতি এবং মানসিক চাপের সৃষ্টি হচ্ছে, যা তাদের স্বাভাবিক বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করছে।
ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পত্রে আরও একটি গুরুতর অভিযোগের বিষয় উল্লেখ করা হয়। সান্তাহার পৌর শহরের সোনার বাংলা মার্কেটের ৩য় তলায় তাঁর একটি কোচিং সেন্টার রয়েছে। সেই কোচিংয়ে না পড়লে ৬ষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার সরাসরি হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে সাধারণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা চরম উদ্বিগ্নতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন এবং বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষা জীবন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিনিয়র শিক্ষক মাহবুবুল হক বলেন, স্কুলের পর কোচিং করাতেই পারি। তাছাড়া এই স্কুলের পড়াশোনার পরিস্থতি বর্তমানে ভালো নয়। এজন্য দুর্বল শিক্ষার্থীরা আমার কোচিংয়ে পড়তেই পারে। আর শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসৌজন্য বা দুর্ব্যবহার করিনা। ওদের শাসন করার কারনে এমন অভিযোগ তুলতে পারে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার জাহিদুল ইসলাম বলেন, সরকারি স্কুলের শিক্ষক নিজেই কোচিং সেন্টার খুলে সেখানে শিক্ষার্থী টানতে পারবেন- এটি কোনো নীতিমালায় নেই।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মাসুমা বেগম বলেন, অভিভাবকরা এসে ওই শিক্ষকের নামে লিখিত অভিযোগ করেছেন। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category