পঞ্চগড় প্রতিনিধি,
ফলোআপ নিউজ
পঞ্চগড়ে পাথর ব্যাবসায়ির কাছ থেকে ভুয়া চেক দিয়ে প্রায় এক কোটি টাকার প্রতারণা করে নীলফামারী জেলার নীলফামারী পৌর সভার ২ নং ওয়ার্ডের বাবুপাড়া বাসা নং ২৪৪ এলাকার মোঃ খয়রাত হোসেন এর পুত্র প্রতারক শাহ মোঃ আনোয়ার হোসেন।
ভুক্তভোগী পাথর ব্যবসায়ী পঞ্চগড় জেলার তেতুলিয়া উপজেলার ৬ নং ভজনপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট পাথর ব্যবসায়ী মোঃ মসলিম উদ্দীন, ভজনপুর ভাঙ্গিপাড়া এলাকার মৃত:সপিজ উদ্দিন এর পুত্র।
তিনি সুনামধন্য একজন পাথর ব্যবসায়ী। দীর্ঘদিন থেকেই সুনামের সাথে পাথর ব্যবসা করে আসছেন । এমতাবস্থায় প্রতারক আনোয়ার হোসেনের সাথে তার ব্যবসায়ী সুবাতে সাক্ষাৎ হয়। এবং দীর্ঘ পাঁচ বছর যাবত ভুক্তভোগীর সাথে প্রতারক আনোয়ার হোসেনের সম্পর্ক ও ব্যবসায়ীক আদান প্রদান বেশ ভাল ছিল। তারই প্রেক্ষিতে পাথর ব্যবসায়ী মুসলিম উদ্দিন এর কাছ থেকে ৯৫ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার পাথর বাকীতে ক্রয় করে, নগদ টাকা না দিয়ে তার পরিবর্তে পূবালী ব্যাংক নীলফামারী শাখার একটি স্বাক্ষরিত চেক প্রদান করে , চেক পাতা নং AI00-J-A-3028304 এবং প্রতারক আনোয়ার ভুক্তভোগী পাথর ব্যবসায়ী মুসলিম উদ্দিন কে বলেন বাংলাদেশের যে কোন ব্যাংক শাখা থেকেই টাকা উত্তোলন করা যাবে। তারই প্রেক্ষিতে ভুক্তভোগী সোনালী ব্যাংক শাখা ভজনপুর শাখা গিয়ে প্রতারক আনোয়ার হোসেনের প্রদানকৃত চেকের পাতা নিয়ে একাউন্টটি চেক করলে জানতে পারে আনোয়ার হোসেনের অ্যাকাউন্টটি সম্পূর্ণ ভুয়া এবং বলক করা আছে এতে কোন টাকা ছিলো না, প্রতারণার উদ্দেশ্যেই ভুক্তভোগীকে ভুয়া চেক প্রদান করেছিল। এবিষয়ে প্রতারক আনোয়ার কে অবগত করলে বিভিন্ন তালবাহানা করতে থাকে এবং সময় অতিবাহিত করে।
ভুক্তভোগী নিরুপায় হয়ে বিজ্ঞ আমলী আদালত -৪ তেতুলিয়া পঞ্চগড় কোটে ১৮৮১ সালের নেগোশিয়েবল ইন্সট্রামেন্ট এ্যাক্ট এর ১৩৮ ধারার একটি সি আর মামলা দায়ের করেন যার মামলা নং ২৪৩/২০২৩।
এবং ভুক্তভোগীর আকুল আবেদন পাওনা টাকা ফিরত পেতে ও প্রতারনা করায় দ্রুত প্রতারক আনোয়ার হোসেনকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করার দাবি জানান। ভবিষ্যতে যাতে কারো সাথে এমন প্রতারণার সাহস না পায়।