• বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:০৬ অপরাহ্ন
Headline
দিনাজপুরে থানা চত্বরে সংঘর্ষ ও সড়ক অবরোধে থমকে গেছে জনজীবন ঝালকাঠিতে অচেনা কিশোরীর সন্ধান চাচ্ছে এলাকাবাসী বদলগাছীতে জামায়াতে ইসলামীর যুব বিভাগে ৩৪ যুবকের যোগদান দিনাজপুরে ২১৭ বস্তা স্যার জব্দ, আটক ১ গোমস্তাপুরে ইউএনও নির্দেশে ছুটির দিনে প্রতিবন্ধী ডাক্তার জরিপ সীমান্তে ৫৯ বিজিবির অভিযানে ৩৪০ পিস ইয়াবাসহ একজন আটক গাজীপুরের শ্রীপুরে নদীতে গোসল করতে নেমে ২ স্কুলছাত্রের মৃত্যু লাখো মানুষের ঢল, মুখরিত চট্টগ্রাম | সফল হোক জশনে জুলুস—ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) শিবগঞ্জ সীমান্তে ৫৯ বিজিবির অভিযানে ৩৪০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১ চাঁপাইনবাবগঞ্জে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের নতুন কমিটির অনুমোদন:আহ্বায়ক এ্যাড. দেলোয়ার ও সদস্য সচিব ছবি

কয়রায় প্রতিবন্ধী ভাতার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গ্রাম পুলিশের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ

মোঃ ফয়সাল হোসেন খুলনা জেলা প্রতিনিধি:- / ১৬৯ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬

মোঃ ফয়সাল হোসেন খুলনা জেলা প্রতিনিধি:-
কয়রা উপজেলায় এক প্রতিবন্ধী নারীর সরকারি ভাতার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ মতিয়ার রহমান-এর বিরুদ্ধে। মোবাইল নম্বর পরিবর্তনের মাধ্যমে ভাতার টাকা নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে কয়েক মাস ধরে অর্থ উত্তোলনের অভিযোগে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগকারী রাফেজা খাতুন জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবন্ধী ভাতা পেয়ে আসছিলেন। তবে গত বছরের আগস্ট মাস থেকে হঠাৎ ভাতার টাকা পাওয়া বন্ধ হয়ে যায়। পরে তিনি স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে এবং সমাজসেবা অধিদপ্তর অফিসে গিয়ে জানতে পারেন, তার ভাতার সঙ্গে যুক্ত মোবাইল নম্বর পরিবর্তন করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, নতুন সংযুক্ত নম্বরটি গ্রাম পুলিশ মতিয়ার রহমানের ব্যবহৃত এবং ওই নম্বরেই গত পাঁচ মাসের প্রায় ১৩ হাজার ৫০০ টাকা ভাতা উত্তোলন করা হয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সামনে জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি টাকা উত্তোলনের বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগী রাফেজা খাতুন বলেন, “আমি একজন অসহায় প্রতিবন্ধী নারী। সরকারের দেওয়া সামান্য ভাতার টাকায়ই আমার জীবন চলে। সেই টাকাও প্রতারণা করে নেওয়া হয়েছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।”

তবে অভিযুক্ত গ্রাম পুলিশ মতিয়ার রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ভুক্তভোগীর মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় বিকল্প একটি নম্বর ব্যবহার করা হয়েছিল এবং তিনি টাকা আত্মসাৎ করেননি; বরং টাকা ফেরত দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন বলে দাবি করেন।

স্থানীয়দের একাংশের দাবি, দীর্ঘদিন ভাতা না পাওয়ায় ভুক্তভোগী বিভিন্ন জায়গায় ঘুরেছেন এবং পরে সমাজসেবা অফিসে গিয়ে প্রকৃত তথ্য জানতে পারেন। এ ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

ভুক্তভোগীর পরিবার জানিয়েছে, কয়রা থানা ও ইউনিয়ন পরিষদে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। ঈদের ছুটির পর জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছেও অভিযোগ দাখিল করা হবে। তারা অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category