কার্যনির্বাহী সম্পাদক
মোছাহ আছমা আক্তার আঁখি
সংগ্রাম, পরিশ্রম ও অদম্য ইচ্ছাশক্তির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত—মোঃ আরিফুর রহমান। শূন্য থেকে পথচলা শুরু করে আজ তিনি প্রতিষ্ঠিত একজন সফল উদ্যোক্তা, সমাজসেবক এবং গণমাধ্যম কর্মী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
বর্তমানে তিনি মিশন বাজার লিমিটেড এবং মিশন এগ্রো ফুড এন্ড কসমেটিকস লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ব্যবসার পাশাপাশি তিনি গণমাধ্যম অঙ্গনেও সমানভাবে সক্রিয়। তিনি জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের গর্জন এর সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, যা ইতোমধ্যে পাঠকমহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
সাংবাদিকদের অধিকার ও উন্নয়নে কাজ করার লক্ষ্যে তিনি তৃণমূল জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ-এর সভাপতির দায়িত্বও পালন করছেন। তার নেতৃত্বে সংগঠনটি তৃণমূল পর্যায়ের সাংবাদিকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।
সম্প্রতি তিনি রিয়েল এস্টেট খাতেও নিজের কার্যক্রম বিস্তৃত করেছেন। “মিশন হাউসিং ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড”-এর মাধ্যমে আবাসন খাতে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি এবং মানুষের স্বপ্নের ঠিকানা গড়ে তোলার লক্ষ্যে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন।
কেবল ব্যবসা বা গণমাধ্যমেই সীমাবদ্ধ নন মোঃ আরিফুর রহমান। সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডেও তার রয়েছে অসামান্য অবদান। প্রতি বছর পবিত্র রমজান মাসে অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ, শীতকালে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র প্রদানসহ নানা মানবিক কার্যক্রমে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। মানবতার সেবায় তিনি নিজেই ব্যক্তিগতভাবে ৪৫ বার রক্তদান করে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
তার এই বহুমুখী অবদান ও সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও সম্মাননা অর্জন করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো এশিয়ান বিজনেস আইকনিক অ্যাওয়ার্ড ২০২৫ (নেপাল) এবং মাদার তেরেসা অ্যাওয়ার্ড ২০২৫। এছাড়াও গণমাধ্যমে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি দৈনিক সরজমিন বার্তা কর্তৃক সম্মাননা (অ্যাওয়ার্ড) গ্রহণ করেন।
নিজের পথচলার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে মোঃ আরিফুর রহমান বলেন—
এ পর্যন্ত আসতে আমাকে বিভিন্ন ধরনের সমালোচনা, প্রতিবন্ধকতা ও বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করতে হয়েছে। আমি একটি জিনিস জানি—সফল হতে গেলে আপনাকে বিভিন্নভাবে বাধাগ্রস্ত করা হবে। কিন্তু সকল বাধা পেরিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।
ব্যবসা, সমাজসেবা ও গণমাধ্যম—এই তিন অঙ্গনে সমান তালে এগিয়ে চলা মোঃ আরিফুর রহমান আজ অনেক তরুণের কাছে অনুপ্রেরণার নাম। তার জীবনগাথা প্রমাণ করে—দৃঢ় মনোবল ও সৎ প্রচেষ্টা থাকলে যে কেউ শূন্য থেকে সফলতার শিখরে পৌঁছাতে পারে।