নিজস্ব প্রতিবেদক মর্নিং বিডি ডট নিউজ
এসআই জাহাঙ্গীর আলমের দুর্নীতির খতিয়ান দিন দিন দীর্ঘতর হচ্ছে। বারবার অপরাধ করেও পার পেয়ে যাওয়ার সংস্কৃতি তাকে আজ বেপরোয়া করে তুলেছে। সম্প্রতি বগুড়া শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম পুলিশ ফাঁড়ির এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মৃত এক নারীর টাকা ও গহনা আত্মসাতের যে ন্যাক্কারজনক অভিযোগ উঠেছে, তা শুধু বিভাগীয় অপরাধ নয়—বরং চরম অমানবিকতার বহিঃপ্রকাশ।
এসআই জাহাঙ্গীর আলমের কিছু ‘স্মরণীয়’ কীর্তি:
মৃতের সম্পদ চুরি:
বগুড়ায় মৃত এক নারীর টাকা ও গহনা আত্মসাৎ করে ধরা পড়ার পর গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে রাতের আঁধারে তা ফেরত দিতে বাধ্য হন।
উভয় পক্ষ থেকে ঘুষ গ্রহণ:
শেরপুরের মির্জাপুর ইউনিয়নে অপহৃত উদ্ধার করার নামে দুই পক্ষের কাছ থেকেই ২০ হাজার টাকা করে আদায় করার অভিযোগ রয়েছে।
মিথ্যা মামলা ও অডিও কেলেঙ্কারি:
এক আত্মহত্যাকারীর পরিবারকে প্রলোভন দেখিয়ে সাজানো মামলা দেওয়ার চেষ্টা এবং আসামি ছেড়ে দেওয়ার নামে ঘুষ দাবি করার অডিও রেকর্ড ফাঁস হয়।
আমাদের প্রশ্ন:
টাকা বা গহনা ফেরত দিলেই কি অপরাধ মাফ হয়ে যায়? একজন সাধারণ মানুষ চুরি করলে তাকে হাজতে যেতে হয়, অথচ আইনের পোশাক গায়ে দিয়ে বারবার একই অপরাধ করার পরও কেন এসআই জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে কোনো দৃশ্যমান শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না?
ভুক্তভোগী নারী আজ বেঁচে নেই বলেই কি এই চুরির ঘটনা ধামাচাপা পড়ে যাবে? মৃত মানুষের সম্পদ নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলে, তারা কোনোভাবেই ‘জনগণের সেবক’ হতে পারে না।
দাবি একটাই:
শুধু টাকা ফেরত দেওয়া বা বদলি নয়—অপরাধী এসআই জাহাঙ্গীর আলমের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। আইনের রক্ষক যখন নিজেই অপরাধী, তখন আমরা নীরব থাকতে পারি না।
রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি, বগুড়া জেলা পুলিশ ও ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি—বিভাগীয় তদন্তের নামে কালক্ষেপণ বন্ধ করুন এবং এই কলঙ্কিত পুলিশ সদস্যের বিচার নিশ্চিত করুন।
একটি শেয়ার করে সত্যকে মানুষের সামনে তুলে ধরুন এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন।