• মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩১ পূর্বাহ্ন
Headline
সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থা’র কর্মকর্তার তদন্ত প্রতিবেদনে মামলায় ‘তথ্যগত ভুল’ মর্মে, আদালতে অব্যাহতি  জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপে সদর উপজেলা -গোমস্তাপুর ম্যাচ ড্র চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজে ‘সবুজে সাজাই বাংলাদেশ’ কর্মসূচি সোনামসজিদ আইসিপিতে ৫৯ বিজিবির বড় ধরনের সাফল্য বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পণ্য জব্দ নওগাঁয় ডিবির মাদকবিরোধী অভিযানে ৪২ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১ দিনাজপুর ন্যাশনাল লাইফ ইন্সুরেন্স পিএলসি জনবীমা এরিয়া ১৫, এর উদ্যোগে মৃত্যু দাবির ১০ লক্ষ ৬৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিধবা নারীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ চাঁপাইনবাবগঞ্জে শব্দ ও বায়ুদূষণবিরোধী মোবাইল কোর্ট, জরিমানা ১১ হাজার টাকা সরিষাবাড়ীতে বালু ব্যবসার আধিপত্যকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপে সংঘর্ষে ৬ আহত সান্তাহার পৌর বিএনপির সাধারন সম্পাদক মিঠুর চাচার ইন্তেকাল

সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থা’র কর্মকর্তার তদন্ত প্রতিবেদনে মামলায় ‘তথ্যগত ভুল’ মর্মে, আদালতে অব্যাহতি 

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ / ১৯ Time View
Update : সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬
Oplus_131072

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মিথ্যা মামলায় হয়রানির শিকার; ন্যায়সংগত প্রতিকারের দাবী ভুক্তভোগী খাদ্য পরিদর্শকের
নেত্রকোনা জেলা খাদ্য অধিদপ্তরের জারিয়া এলএসডি পূর্বধলা উপজেলায় দায়িত্ব পালনকালে দায়ের করা একটি মামলায় হয়রানি ও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগ তুলে প্রতিকার চেয়েছেন খাদ্য পরিদর্শক (চলতি দায়িত্ব) ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ। এ বিষয়ে খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে বিগত ২৩মে/২০১৯ ইং তারিখে লিখিত আবেদন করেছেন তিনি।

অভিযোগপত্রে ভুক্তভোগী শহিদুল্লাহ উল্লেখ করেন, বিগত ০৩ মার্চ/২০১৮ ইং হইতে ১৮ অক্টোবর/১৮ ইং তারিখ পর্যন্ত তিনি নেত্রকোনায় কর্মরত থাকাকালে স্থানীয় কয়েকজন খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি মামলায় তাকে আসামি করা হয়। তার দাবি, মামলাটি ছিল উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং এর মাধ্যমে তাকে হয়রানি করা হয়েছে।

লিখিত আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, মামলাটি তদন্ত করেন সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থা’র কর্মকর্তা পূর্বধলা থানার উপ-পরিদর্শক হারুনুর রশিদ, তদন্ত শেষে মামলার চুড়ান্ত প্রতিবেদনে ‘তথ্যগত ভুল’ পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করে বিগত ২৫ জানুয়ারী/১৯ ইং তারিখে আদালতে দাখিল করা হয়। পরবর্তীতে নেত্রকোনা জেলার সিনিয়র স্পেশাল ট্রাইব্যুনালের বিচারক ২০১৯ সালের ২০ মার্চ মামলার সব আসামিকে অব্যাহতি প্রদান করেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, মামলায় আসামি করার ঘটনায় শহিদুল্লাহসহ সংশ্লিষ্টরা দীর্ঘদিন বিভিন্ন ধরনের হয়রানি ও মানসিক চাপের মধ্যে ছিলেন। মামলার কারণে তার কর্মজীবনেও বিরূপ প্রভাব পড়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

শহিদুল্লাহর অভিযোগপত্রে জানান, তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার পেছনে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন খাদ্য কর্মকর্তার ভূমিকা ছিল। এ কারণে তিনি ওই কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, দোষীদের শাস্তি এবং তার ক্ষতির উপযুক্ত প্রতিকার দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানিয়েছেন।

আবেদনে তিনি পূর্বধলা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মাহবুবুল আলম তরফদার, কারিগরি খাদ্য পরিদর্শক এস.এম.সালাউদ্দিন এবং জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. সোহরাব হোসেনসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানান।

শহিদুল্লাহর আবেদনের দাবী, তদন্তে মামলার অভিযোগের বিষয়ে তদন্তকারী সংস্থা’র কর্মকর্তার তদন্তে ‘তথ্যগত অসংগতি’ উঠে আসা এবং পরবর্তীতে আদালতের মাধ্যমে সব আসামির অব্যাহতি পাওয়ার পরও তিনি যে হয়রানি ও ক্ষতির শিকার হয়েছেন, তার ন্যায়সংগত প্রতিকার নিশ্চিত করা। তবে অভিযোগপত্রে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে জানতে একাধিকবার প্রচেষ্টা করেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ অনত্র স্থানে থাকায় এবং মুঠোফোনেও বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category