পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি
ক্ষমতা থাকলেই যেন সব কিছু করা সম্ভব এমনটি ঘটেছে তেঁতুলিয়া উপজেলার শালবাহান ইউনিয়ন পরিষদে। নোটিশ বিহীন তেতুলিয়া নির্বাহী অফিসার আফরোজ শাহীন খসরু, তালা বদ্ধ করলেন
৪নং শালবাহান ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এর অফিসে।
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফরোজ শাহীন খসরুর বিরুদ্ধে , উন্নয়ন প্রকল্পে ঘুষ দাবি ও প্রশাসনিক কাজে হয়রানি অফিস না করতে বাধা দেওয়াসহ নানান অভিযোগ তোলে বিক্ষোভ প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার ১৫ মার্চ সকালে ৪ নং শালবাহান ইউনিয়ন পরিষদের সামনে বিক্ষোভ প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়।
বিক্ষোভ প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন শালবাহান ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলাম ও ইউপি সদস্য মোঃ হারুন অর রশিদসসহ আরো অনেকে।
এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
তেতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ করা হলো, তেতুলিয়া উপজেলা
নির্বাহী অফিসার আফরোজ শাহীন খসরু বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের বিল অনুমোদনের ক্ষেত্রে টাকা ছাড়া স্বাক্ষর করেন না এবং তাকে প্রশাসনিকভাবে কাজে হয়রানিসহ অফিস না করতে মৌখিক বাধা করছেন।
এমনকি টিসিবি কার্যক্রমের তালিকা প্রস্তুত ও প্রচারণার ক্ষেত্রে চেয়ারম্যানের নাম ব্যবহার না করার জন্য ইউএনও মৌখিক নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন বলেও তিনি অভিযোগ করেন।চেয়ারম্যান আরও বলেন, আমি বৈধভাবে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হওয়া সত্ত্বেও আমাকে কাজ করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। প্রকল্পের টাকা ছাড় পেতে হয়রানি করা হচ্ছে, যা জনস্বার্থবিরোধী।বিষয়টি নিয়ে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এবং ১৫ মার্চ সকালে শালবাহান ইউনিয়ন পরিষদে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভার পর লিখিত কোন নোটিশ ব্যতীত চেয়ারম্যানের অফিসকক্ষে তালা ঝুলালেন তেতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের আদেশে পরিষদের সচিব। এ বিষয় এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
অন্যদিকে, অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরোজ শাহীন খসরু জানান, চেয়ারম্যানের আনা সকল অভিযোগ অসত্য ও ভিত্তিহীন। সরকারি নিয়ম মেনেই সকল প্রকল্পের কাজ ও বিল ছাড়ের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। কারও বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আক্রোশ বা হয়রানির কোনো সুযোগ নেই।
সরেজমিনে ঘুরে জানা যায় সালমান এলাকার স্থানীয়রা বলছেন আশরাফ চেয়ারম্যান কে একটি কুচক্রী মহলের লোকজন ষড়যন্ত্র করে তাকে বিভিন্নভাবে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। আমরা চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলাম আশরাফ এর কাছে কখনো কোন কাজের জন্য গেলে আমাদেরকে নিরাশ করেন নাই। তাই আমাদের দাবি চেয়ারম্যানের জায়গা ইউনিয়ন পরিষদ। তার অফিস কক্ষ খুলে দেয়া হোক।