• রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৬ পূর্বাহ্ন
Headline
জনতার স্বপ্ন, জনতার আশা—বিল্লাল বেপারী জনগণের ভাষা জনতার স্বপ্ন, জনতার আশা—বিল্লাল বেপারী জনগণের ভাষা শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানালেন অ্যাডভোকেট বসুদেব দাস ও উজ্জ্বল শীল সান্তাহারে তিন শতাধিক বিএনপির কারা নির্যাতিত নেতা-কর্মীদের বিশাল সংবর্ধনা প্রদান দিনাজপুরে পুজামন্ডপ পরিদর্শন করলেন বিজিবি রংপুর রিজিয়নের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার কর্নেল ফয়সাল পঞ্চগড়ে প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও জমে উঠেছে সোনাতন ধর্মাবলম্বীদের বড় উৎসব দুর্গা পূজা, ভোলাহাট সীমান্তে ৫৯ বিজিবি’র অভিযান ৪৩ বোতল নেশাজাতীয় সিরাপ জব্দ রাজশাহীতে জমি ও দোকানঘর দখলচেষ্টার অভিযোগ, প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন নাচোলে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের মেগা ফাইনাল অনুষ্ঠিত মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত আনন্দ গুপ্ত, ঈদ-পূজায় পাশে দাঁড়ান অসহায় মানুষের

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত রুবেল মিয়া এখনো চিকিৎসাবঞ্চিত।

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি: / ১৯৭ Time View
Update : রবিবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২৬

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলিতে গুরুতর আহত রুবেল মিয়া এখনো উন্নত চিকিৎসা না পেয়ে চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছেন। গত ০২ আগস্ট ২০২৪, শুক্রবার হবিগঞ্জ শহরের সবুজবাগ এলাকায় দি খোয়াই জেনারেল হাসপাতালের সামনে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
আহত রুবেল মিয়া হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ বড়চর গ্রামের ২নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তার পিতা মোঃ জিতু মিয়া এবং মাতা মোছাঃ আংঙ্গুরা খাতুন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন রুবেল মিয়া দি খোয়াই জেনারেল হাসপাতালে কর্মরত অবস্থায় ছিলেন। আন্দোলন চলাকালে হাসপাতালের সামনেই পুলিশের গুলিতে তিনি গুরুতরভাবে আহত হন। তার শরীরে ২০টিরও বেশি ছররা গুলি বিদ্ধ হয়। ঘটনাস্থলেই তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়েন।
তাৎক্ষণিকভাবে তাকে নিজ কর্মস্থল দি খোয়াই জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তার শরীর থেকে আংশিকভাবে কিছু ছররা গুলি অপসারণ করেন।
পরবর্তীতে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট সেনানিবাসস্থ সিএমএইচ (Combined Military Hospital)-এ নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে জানান, রুবেল মিয়ার মুখমণ্ডল ও দুই চোখের ভেতরে এখনো ৫টিরও বেশি ছররা গুলি রয়ে গেছে, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে অবস্থান করছে।
সিএমএইচ সিলেটের চিকিৎসকদের স্পষ্ট ভাষায় জানানো হয়েছে—
বিদেশে উন্নত চিকিৎসা করানো না হলে রুবেল মিয়ার শারীরিক অবস্থা দিন দিন আরও খারাপের দিকে যাবে এবং তার দৃষ্টিশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
কিন্তু আর্থিক সংকটসহ নানা জটিলতায় এখনো তার বিদেশে চিকিৎসা করানো সম্ভব হয়নি। ফলে প্রতিদিন চোখ ও মুখমণ্ডলের তীব্র যন্ত্রণায় তিনি কাতরাচ্ছেন। স্বাভাবিক জীবনযাপন তো দূরের কথা, ঠিকমতো খাওয়া ও ঘুমানোও তার পক্ষে কষ্টকর হয়ে উঠেছে।
রুবেল মিয়ার পরিবার সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর, সেনা কর্তৃপক্ষ, মানবাধিকার সংস্থা ও সমাজের বিত্তবানদের কাছে তার জীবন রক্ষায় জরুরি ভিত্তিতে বিদেশে চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মানবিক সহযোগিতা কামনা করেছে।
এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল আহত রুবেল মিয়ার দ্রুত সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category