• শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৩ অপরাহ্ন
Headline
আসসালামু আলাইকুম, সহকর্মী বন্ধুগণ, নওগাঁয় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ তিনজন গ্রেপ্তার চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ নারীসহ দুজন গ্রেপ্তার কয়রায় সংঘর্ষে পল্লী চিকিৎসক রব্বানীর মৃত্যু: বিচারের দাবিতে স্বজনদের আহাজারি, মানববন্ধনে উত্তাল এলাকাবাসী কালীগঞ্জে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় পুলিশ কর্মকর্তাসহ নিহত ২ নরুন্দিতে বিএনপি কর্মী শফিকের রুহের মাগফিরাত কামনায় ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল কয়রায় হরিণের মাংসসহ মাথা-পা ও চামড়া জব্দ দিনাজপুরে নৈশপ্রহরীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে স্বজনদের অভিযোগ আদমদীঘিতে মাদকের বস্তিতে স্থানীয়দের অভিযান ॥ স্বস্তিতে এলাকাবাসী পঞ্চগড়ে একই গ্ৰামে কৌশলে ৫ শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা পালাতক ধর্ষক

আসসালামু আলাইকুম, সহকর্মী বন্ধুগণ,

সালমা আক্তার কুমিল্লা / ২০ Time View
Update : শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬

সালমা আক্তার কুমিল্লা
880 1320-114126
দাউদ কান্দি ওসি সাজেদুল ইসলাম পলাশ ওনাকে জিজ্ঞেস করুন কেন ওনি ওয়ারেন্টের আসামি গ্রেফতার করছে না সাংবাদিক ভাইয়েরা একটু ফোন করে জিজ্ঞেস করেন

আমরা বিচার কিভাবে পাবো, বলেন? থানায় যখন মামলা নেয় না, তখন আমরা বাধ্য হয়ে আদালতে গিয়ে একটি সি.আর মামলা দায়ের করি। সেই মামলাটি এক থেকে দেড় বছর পর্যন্ত তদন্তাধীন থাকে। তদন্ত শেষে সিআইডি অথবা পিবিআই অথবা ডিবি তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে প্রেরণ করে। এরপর আদালতে প্রথমে সমন জারি করা হয়, আসামি উপস্থিত না হলে ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হয়।

এতকিছু করার পর একটা ওয়ারেন্ট ইস্যু হওয়ার পর যখন সেই ওয়ারেন্ট থানায় পাঠানো হয়, তখন থানা পুলিশ আসামি গ্রেফতার করে না। তারা তো মামলাই নেয় না, বরং আদালতের আদেশটাও তামিল করে না।

তাহলে বলেন, আমরা বিচারটা কোথায় পাবো? বিচার কিভাবে হবে? দেশে অপরাধ কিভাবে দমন হবে? মানুষ অপরাধ করা কিভাবে কমাবে? একজন অপরাধী একের পর এক অপরাধ করে বেড়াচ্ছে, অথচ থানা পুলিশ তাকে আজ পর্যন্ত গ্রেফতার করছে না।

এখন আপনারাই বলেন, এর বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া যায়? কী করতে পারি?

*উল্লেখ্য যে,* গত ২৪শে জুলাই-আগস্ট এবং ৫ই আগস্টকে কেন্দ্র করে আমি সামান্য একটু ভিডিও ফুটেজ আমার মোবাইলে ধারণ করেছিলাম। পরবর্তীতে আমি সেই ঘটনার সংবাদ আমার পত্রিকায় এবং আমার ব্যক্তিগত ফেসবুকে প্রকাশ করেছিলাম।

এই সংবাদ প্রকাশের জের ধরেই সন্ত্রাসীরা প্রথমে আমার বাসা-বাড়ি ভাঙচুর করেছে। আমার তিনটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছিল, দাউদকান্দি ঈদগাহ বিশ্বরোডে তিনটি কাপড়ের দোকান, সেগুলো লুটপাট করেছে। আমার বোনের বাড়িতে হামলা করেছে। তারপর আমাকে আমার বাসার সামনে থেকে তুলে নিয়ে মারধর করেছে, ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ আমাকে উদ্ধার করেছে।

চিকিৎসা শেষে বাসায় ফেরার পথে আবারও আমাকে তুলে নিয়ে গিয়ে মারধর করেছে। আমি বাসা পরিবর্তন করে নতুন বাসায় গিয়েছি, সেই বাসাও ভাঙচুর করেছে। আবার বাসা পরিবর্তন করেছি, সেই বাসাও ভাঙচুর করেছে। এরপর দোকান লুটপাট করেছে, তারপর আমার বাবার বাড়িতে হামলা করেছে। শেষ পর্যন্ত আমার নিজের বাড়িতে হামলা করে ভাঙচুর, লুটপাট করে আমার বৃদ্ধ মাকে মেরে রক্তাক্ত করে তুলে নিয়ে গেছে।

সন্ত্রাসীরা যা কিছু করেছে, প্রতিটি বিষয়ে আমি প্রথমে থানায় অভিযোগ দিয়েছিলাম। থানা পুলিশ যখন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি, তখন আমি আদালতে মামলা করেছি।

আমার ৩টি বাসায় লুটপাট-ভাঙচুর, আমাকে দুইবার তুলে নিয়ে বিবস্ত্র করে মারধর, বোনের বাসায় হামলা এবং নিজ বাড়িতে গিয়ে হামলা – প্রতিটি ঘটনার জন্য আলাদা আলাদা মামলা করেছি। প্রতিটি মামলা ভিন্ন ভিন্ন সংস্থা – পিবিআই, সিআইডি, ডিবি তদন্ত করে প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেছে এবং সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আদালত ওয়ারেন্ট ইস্যু করেছেন।

কিন্তু আজও পর্যন্ত থানা পুলিশের কারণে আসামি ধরা সম্ভব হচ্ছে না। অপরাধীরা একের পর এক অপরাধ করে বেড়াচ্ছে আর থানা পুলিশ তাদের ধরতে ব্যর্থ হচ্ছে।

ওয়ারেন্টের আসামি গ্রেফতারের জন্য থানা পুলিশকে অনুরোধ করতে করতে আমি শেষ হয়ে যাচ্ছি, কিন্তু থানা পুলিশ আসামি গ্রেফতার করছে না।

এর জন্য করণীয় কী? আমি কী করতে পারি?


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category