• সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৫ অপরাহ্ন
Headline
দামকুড়া থানায় দুই ব্যক্তিকে আটকের ঘটনা জানতে চাওয়ায় সাংবাদিককে মেজাজ দেখালো এসআই আসরাফুল কালীগঞ্জে ১০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১, সহযোগী পলাতক। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ: ডাঃ শাহাদাত হোসেন জামালপুরে ভারতীয় মদ২১৭ বোতল উদ্ধার, ছাত্রদল নেতা সহ ৫ জন আটক বাংলাদেশ প্রেসক্লাব, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির উন্নয়ন সভা উপলক্ষে প্রস্তুতি ও মতবিনিময় সভা সান্তাহারে যক্ষ্মা রোগ শনাক্তকরণে বিনামূল্যে এক্স-রে ক্যাম্পে ১১৪ জন রোগীকে চিকিৎসা সেবা ৭৪৫ জন কবির মধ্যে ৫ম স্থান অর্জন, ‘শূন্যায়ন’ বইয়ে প্রকাশিত বিরহ কবি মোঃ খাইরুল ইসলামের কবিতা কুলিয়ারচরে সিএনজি- পিক-আপের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত ৯ জন কাহারোলে ৬ দিন ধরে তাণ্ডব, গ্যাস ট্যাবলেটে ৪৫ মণ মাছ নিধন! বকশীগঞ্জে ব্রহ্মপুত্র নদে ডুবে প্রাণ গেল ১১ বছরের সাথীর।

দামকুড়া থানায় দুই ব্যক্তিকে আটকের ঘটনা জানতে চাওয়ায় সাংবাদিককে মেজাজ দেখালো এসআই আসরাফুল

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী: / ৮ Time View
Update : সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী: রাজশাহী নগরীর সোনাইকান্দি নিচপাড়া এলাকা থেকে রাজন ও হৃদয় নামে দুই ব্যক্তিকে আটক করেছেন দামকুড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোঃ আসরাফুল। আটকের সময় তাঁদের কাছ থেকে কোনো মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়নি বলে দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, আটক দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকসংক্রান্ত মামলা থাকলেও আটকের সময় তাঁদের কাছ থেকে কোনো ধরনের মাদকদ্রব্য পায়নি পুলিশ। এ নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত এলাকাবাসীর সঙ্গে এসআই মোঃ আসরাফুলের তর্কবিতর্ক হয়। একপর্যায়ে তিনি রাজন ও হৃদয় নামে দুই ব্যক্তিকে জোরপূর্বক আটক করে নিয়ে যান বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এ সময় ঘটনাস্থলে কয়েকজন সাংবাদিকও উপস্থিত ছিলেন।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় জুয়েল, বাবু, আদিল ও মিনারুল। মিনারুল বলেন, আটক রাজন একজন মুদি দোকানী। কিন্তু তার বিরুদ্ধে পূর্বের মাদকের মামলা রয়েছে। আটক হৃদয় একজন ট্রাক চালক। তবে তার বিরুদ্ধে মাদকের কোন মামলা নেই। তার অপরাধ সে দায়িত্বরত এসআই সিভিল ড্রেসে থাকায় তাদের পরিচয় জানতে চেয়েছিলেন। এই অপরাধে তাকেও আটক করে থানায় নিয়ে যায় এসআই আসরাফুল। ঘটনার সময় পুলিশের দাপাদাপিতে অর্ধশত স্থানীয়রা জড়ো হয়ে পুলিশের সার্বিক কর্মকান্ড দেখেছেন।
ঘটনার বিষয়ে জানতে মুঠোফোনে এসআই মোঃ আসরাফুলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আটক ব্যক্তিদের কাছে কিছু পাওয়া যায়নি, তাঁদের এমনিতেই নিয়ে গেছেন। এরপর হটাৎ তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, ফোন দিয়েছেন কেন? কিছু জানার থাকলে থানায় এস কথা বলেন অভিযোগ সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকের।
ওই সাংবাদিকের ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁর কর্মস্থল মতিহার থানা এলাকায়। রাত সাড়ে ১২টার দিকে সামান্য একটি বক্তব্যের জন্য প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে দামকুড়া থানায় যেতে বলা হয় তাঁকে। বিষয়টি জানতে দামকুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।
সাংবাদিকের অভিযোগ, পুলিশ ও সাংবাদিকদের মধ্যে পেশাগত সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার কথা বলা হলেও এ ঘটনায় এসআইয়ের কথাবার্তা ও আচরণে সেই সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
এ ঘটনায় রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) পুলিশ কমিশনারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক। অকারনে কেন মেজাজ দেখালেন এসআই? পাশাপাশি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার আচরণে কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।#


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category