চট্টগ্রাম।
চট্টগ্রামের মইজ্জ্যারটেক, আনোয়ারা চাতরী চৌমুহনী, নতুন ব্রিজ, বহদ্দারহাট, কাপ্তাই রাস্তার মাথা থেকে বোয়ালখালী, পটিয়া ও বাঁশখালী—দক্ষিণ চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় কথিত ‘সাদা মানিক’ ওরফে ‘টোকেন মানিক’কে ঘিরে অবৈধ টোকেন বাণিজ্যের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, কয়েকশ অবৈধ গ্রাম সিএনজি ও টুকটুকি চলাচলে তার প্রভাব রয়েছে এবং সংবাদ প্রকাশের উদ্যোগ নিলে সাংবাদিকদের হুমকি দেওয়া হয়।
বোয়ালখালীতে একটি সিএনজিতে ‘দৈনিক আলো বাংলাদেশ’ নামের পত্রিকার লোগো ব্যবহার নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে—পত্রিকাটির বৈধতা, পরিচয়পত্র ও সংশ্লিষ্টতার সত্যতা যাচাই জরুরি। ২০২২-২৩ সালেও গোমদণ্ডী ফুলতলায় তাকে ও তার ভাইকে ঘিরে সিএনজি চালকদের সঙ্গে সংঘর্ষ ও গণধোলাইয়ের অভিযোগের কথা স্থানীয়ভাবে আলোচিত রয়েছে।
প্রশ্ন হচ্ছে, বিভিন্ন ট্রাফিক পুলিশের বক্সে তার নিয়মিত উপস্থিতির উদ্দেশ্য কী? বোয়ালখালী ও কর্ণফুলী এলাকায় পর্দার আড়ালে টোকেন বাণিজ্যের অভিযোগ থাকলেও সংশ্লিষ্টদের নজরদারি কোথায়? কাপ্তাই রাস্তার মাথায় ‘নিতাই’ নামের এক কথিত সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ৩০-৪০টি সিএনজি ও অবৈধ টুকটুকি পরিচালনায় দালালির অভিযোগও তদন্তের দাবি রাখে।
এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, গাড়ির নম্বর যাচাই, টোকেনের উৎস শনাক্ত এবং সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করে কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা জরুরি। ট্রাফিক পুলিশ প্রশাসনের কাছে প্রশ্ন—অবৈধ টোকেন বাণিজ্যের বিরুদ্ধে অভিযান হবে কবে? সাংবাদিকতার পরিচয় কোনো অপরাধের ঢাল হতে পারে না।