• রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৩ পূর্বাহ্ন
Headline
জনতার স্বপ্ন, জনতার আশা—বিল্লাল বেপারী জনগণের ভাষা জনতার স্বপ্ন, জনতার আশা—বিল্লাল বেপারী জনগণের ভাষা শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানালেন অ্যাডভোকেট বসুদেব দাস ও উজ্জ্বল শীল সান্তাহারে তিন শতাধিক বিএনপির কারা নির্যাতিত নেতা-কর্মীদের বিশাল সংবর্ধনা প্রদান দিনাজপুরে পুজামন্ডপ পরিদর্শন করলেন বিজিবি রংপুর রিজিয়নের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার কর্নেল ফয়সাল পঞ্চগড়ে প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও জমে উঠেছে সোনাতন ধর্মাবলম্বীদের বড় উৎসব দুর্গা পূজা, ভোলাহাট সীমান্তে ৫৯ বিজিবি’র অভিযান ৪৩ বোতল নেশাজাতীয় সিরাপ জব্দ রাজশাহীতে জমি ও দোকানঘর দখলচেষ্টার অভিযোগ, প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন নাচোলে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের মেগা ফাইনাল অনুষ্ঠিত মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত আনন্দ গুপ্ত, ঈদ-পূজায় পাশে দাঁড়ান অসহায় মানুষের

কুলিয়ারচরে ইঁদুরের বি*ষ খেয়ে এক মানসিক ভারসাম্যহীন যু*ব*তী*র আ*ত্ম*হ*ত্যা

শাহীন সুলতানা, নিজস্ব প্রতিবেদক, কুলিয়ারচর (কিশোরগঞ্জ)) / ২১৮ Time View
Update : রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬

শাহীন সুলতানা, নিজস্ব প্রতিবেদক, কুলিয়ারচর (কিশোরগঞ্জ))

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে মানসিক ভারসাম্যহীন এক যুবতীর ইঁ*দু*রে*র বি*ষ খেয়ে আ*ত্ম*হ*ত্যা করেছে বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে । আ*ত্ম*হ+ত্যা*কারী ওই যুবতীর নাম জনি বেগম (২০)।সে উপজেলার গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের পূর্ব আব্দুল্লাহপুর মধ্যপাড়া গ্রামের মোঃ গোলাপ মিয়ার মেয়ে।
শনিবার (২৮ মার্চ ২০২৬) বিকাল আনুমানিক ৫ ঘটিকায় কুলিয়ারচর থানাধীন সালুয়া ইউনিয়নের ডুমরাকান্দা বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, ডুমরাকান্দা বাজারের ব্রিজ সংলগ্ন রফিক ডাক্তারের ফার্মেসীর সামনে হটাৎ একজন মহিলাকে উপুড় হয়ে পড়ে থাকতে দেখেন। তারপর কয়েকজন মিলে কাছে গিয়ে শরীরে হাত দিয়ে বুঝতে পারেন সে আর বেঁচে নেই।
পরে বাজারের লোকজন ওই যুবতীকে চিনতে পেরে বাড়িতে খবর দেন এবং সিএনজিতে তুলে বাড়িতে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন।

জনি বেগমের বাবার সাথে কথা বলে জানা যায়, জনি দীর্ঘদিন যাবৎ মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছেন। প্রায় সময় শরীরের কাপর-চোপর খোলে বিবস্ত্র হয়ে যেতো। এর আগেও গলায় ফাঁ*সি দিয়ে আ*ত্ম*হ*ত্যার চেষ্টা করেছিল। তারপর ঘরের দরজা ভেঙে ফাঁ*সি থেকে নামানো হয়। আরেকবার নিজের শরীরে নিজেই আ*গু*ন লাগিয়ে দিয়েছিলো। মেয়েটির আ*ত্মহ*ত্যা প্রবণতা দিন দিন বেড়ে যাওয়ায় মা-বাবা সারাক্ষণ আতংকে থাকতো। বিয়ে দেওয়ার জন্য পাগলামো করার পর বাবা মেয়েটিকে বিয়ে দেয়, একটা মেয়ে সন্তানও হয় কিন্তু মেয়েটাকেও মেরে ফেলতে চাওয়ায় তাকে দত্তক দেওয়া হয়। মানসিক ভারসাম্যহীনতার কারণে সকল প্রকার চিকিৎসা করানোর পরেও কোনো রকম উন্নতি না হওয়াই স্বামীও তাঁর খোঁজ খবর নেয় না।

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category