• রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩০ অপরাহ্ন
Headline
দুর্গাপূজায় সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বার্তা দিলেন খালেকুজ্জামান বাবলু। দিনাজপুরে বউ মেলা’ জীবনসঙ্গী খুঁজতে আসবেন আদিবাসী তরুণ-তরুণীরা চাঁপাইনবাবগঞ্জে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ডিএনসির মন্দির পরিদর্শন চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জেলা পরিষদের উদ্যোগ: অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে মশারি বিতরণ নেতা হিসেবে নয়, জনগণের ভালোবাসার আসনে বসতে চাই: সুফিয়ান কবির শিপন টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে সচেতন যুবকদের অভিযানে, মাদক ব্যবসায়ীসহ( ৩ জন) আটক এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য জনতার স্বপ্ন, জনতার আশা—বিল্লাল বেপারী জনগণের ভাষা জনতার স্বপ্ন, জনতার আশা—বিল্লাল বেপারী জনগণের ভাষা শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানালেন অ্যাডভোকেট বসুদেব দাস ও উজ্জ্বল শীল সান্তাহারে তিন শতাধিক বিএনপির কারা নির্যাতিত নেতা-কর্মীদের বিশাল সংবর্ধনা প্রদান

কয়রায় প্রতিবন্ধী ভাতার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গ্রাম পুলিশের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ

মোঃ ফয়সাল হোসেন খুলনা জেলা প্রতিনিধি:- / ২২৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬

মোঃ ফয়সাল হোসেন খুলনা জেলা প্রতিনিধি:-
কয়রা উপজেলায় এক প্রতিবন্ধী নারীর সরকারি ভাতার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ মতিয়ার রহমান-এর বিরুদ্ধে। মোবাইল নম্বর পরিবর্তনের মাধ্যমে ভাতার টাকা নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে কয়েক মাস ধরে অর্থ উত্তোলনের অভিযোগে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগকারী রাফেজা খাতুন জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবন্ধী ভাতা পেয়ে আসছিলেন। তবে গত বছরের আগস্ট মাস থেকে হঠাৎ ভাতার টাকা পাওয়া বন্ধ হয়ে যায়। পরে তিনি স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে এবং সমাজসেবা অধিদপ্তর অফিসে গিয়ে জানতে পারেন, তার ভাতার সঙ্গে যুক্ত মোবাইল নম্বর পরিবর্তন করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, নতুন সংযুক্ত নম্বরটি গ্রাম পুলিশ মতিয়ার রহমানের ব্যবহৃত এবং ওই নম্বরেই গত পাঁচ মাসের প্রায় ১৩ হাজার ৫০০ টাকা ভাতা উত্তোলন করা হয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সামনে জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি টাকা উত্তোলনের বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগী রাফেজা খাতুন বলেন, “আমি একজন অসহায় প্রতিবন্ধী নারী। সরকারের দেওয়া সামান্য ভাতার টাকায়ই আমার জীবন চলে। সেই টাকাও প্রতারণা করে নেওয়া হয়েছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।”

তবে অভিযুক্ত গ্রাম পুলিশ মতিয়ার রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ভুক্তভোগীর মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় বিকল্প একটি নম্বর ব্যবহার করা হয়েছিল এবং তিনি টাকা আত্মসাৎ করেননি; বরং টাকা ফেরত দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন বলে দাবি করেন।

স্থানীয়দের একাংশের দাবি, দীর্ঘদিন ভাতা না পাওয়ায় ভুক্তভোগী বিভিন্ন জায়গায় ঘুরেছেন এবং পরে সমাজসেবা অফিসে গিয়ে প্রকৃত তথ্য জানতে পারেন। এ ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

ভুক্তভোগীর পরিবার জানিয়েছে, কয়রা থানা ও ইউনিয়ন পরিষদে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। ঈদের ছুটির পর জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছেও অভিযোগ দাখিল করা হবে। তারা অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category