• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৩ অপরাহ্ন
Headline
কুমিল্লা আদালতে বিচার চলাকালীন সাংবাদিকের উপর হামলা, ওয়ারেন্ট ও জি.আর মামলা থাকা সত্ত্বেও আসামিকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ: আসামির কল রেকর্ড ফাঁস ঝালকাঠির সড়ক দখল করে ভ্যানে সবজি-ফল বিক্রি, বাড়ছে জনদুর্ভোগ কয়রা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চিঠি গাজীপুরের শ্রীপুরে ২ হাজার পিস ইয়াবাসহ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের জেলার নেতা গ্রেপ্তার, সঙ্গে এক সহযোগী দিনাজপুরে প্রহরীকে হত্যা, ঘাতক গ্রেফতার দামকুড়া থানায় দুই ব্যক্তিকে আটকের ঘটনা জানতে চাওয়ায় সাংবাদিককে মেজাজ দেখালো এসআই আসরাফুল কালীগঞ্জে ১০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১, সহযোগী পলাতক। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ: ডাঃ শাহাদাত হোসেন জামালপুরে ভারতীয় মদ২১৭ বোতল উদ্ধার, ছাত্রদল নেতা সহ ৫ জন আটক বাংলাদেশ প্রেসক্লাব, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির উন্নয়ন সভা উপলক্ষে প্রস্তুতি ও মতবিনিময় সভা

রাজশাহীতে ফটোসাংবাদিক কাচুকে ফাঁসানোর অভিযোগ: তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভপ্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, / ৬১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী: রাজশাহীতে একটি ফেসবুক ভিডিও শেয়ারকে কেন্দ্র করে জ্যেষ্ঠ ফটোসাংবাদিক মামুনুর রশীদ কাচুকে মামলায় জড়ানো ও গ্রেফতারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা এবং ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সাংবাদিক সমাজের একাংশ। প্রকাশিত খবরের সত্যতা আড়াল করে মূল ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার অভিযোগ এনেছেন তারা।
রিভারসিটি প্রেসক্লাব ও রিপোর্টার্স ইউনিটিসহ সাংবাদিকদের একাধিক সংগঠন এক যৌথ বিবৃতিতে দাবি করেছে, মাদক কারবারিদের বাঁচাতে এবং প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতেই ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ফটোসাংবাদিক কাচুকে এই মামলায় বলির পাঁঠা বানানো হয়েছে।
মামলার নথি ও অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ৪ জুন ২০২৬ তারিখে রাজশাহীর বোয়ালিয়া মডেল থানায় সাইবার সুরক্ষা আইনের ২৫ ধারাসহ দণ্ডবিধির ৩৮৫, ৩৮৬, ৫০০ ও ৫০৬ ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয় (মামলা নম্বর: ৭)। মাহবুবা খাতুন লিলা নামে এক নারী বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
উল্লেখ্য, মূল এজাহারে ফটোসাংবাদিক মামুনুর রশীদ কাচুর কোনো নাম ছিল না।
এর আগে, বাদী মাহবুবা খাতুন লিলা সাংবাদিকদের কাছে একটি ভিডিও সাক্ষাৎকারে নিজের ওপর অত্যাচার ও ষড়যন্ত্রের বিবরণ দিয়ে সাহায্য প্রার্থনা করেন। সেই সাক্ষাৎকারের ভিডিওটি হুবহু (কোনো এডিট বা সংযোগ-বিয়োগ ছাড়াই) মামুনুর রশীদ কাচু তাঁর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক পেজ ‘এখনই সময়’-এ শেয়ার করেন।
ভিডিওটি শেয়ার দেওয়ার পর থেকেই স্থানীয় সাংবাদিকদের একটি অংশ ও কাচুবিরোধী অপপ্রচারকারী চক্র সক্রিয় হয়ে ওঠে। কাচুকে এই মামলায় জড়াতে মরিয়া হয়ে ওঠে সেই চক্রটি। অনুসন্ধানে জানা যায়, কাচু পূর্বেও বিভিন্ন সময় একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর ভয়ভীতি ও চক্রান্তের শিকার হয়ে আসছিলেন।
মঙ্গলবার সকাল ১০টায় আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে ফটোসাংবাদিক কাচু নিজে থেকেই পুলিশের কাছে গিয়ে উপস্থিত হন। পরবর্তীতে পুলিশ ওই মামলায় ভিডিও লিংক শেয়ার করার সূত্র ধরে তাকে আটক দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করে।
এদিকে, ভিডিওতে যে নারী একসময় সাংবাদিকদের কাছে কান্না জড়িত কণ্ঠে আকুতি জানিয়েছিলেন এবং যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে কথা বলেছিলেন, পরবর্তীতে তিনি নিজের দেওয়া বক্তব্যকে ‘মিথ্যা’ বলে দাবি করেন। সাহায্য চাওয়ার ভিডিওটি কেবল শেয়ার করার কারণেই কাচুকে আসামির তালিকায় তুলে আনা হয়েছে বলে মনে করছেন রাজশাহীর সচেতন সাংবাদিক সমাজ।
একাধিক সংবাদকর্মীরা জানান, একজন ভুক্তভোগীর দেওয়া ভিডিও সাক্ষাৎকার শেয়ার করার অপরাধে একজন সাংবাদিককে সাজানো মামলায় ফাঁসানো স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর চরম আঘাত। ভিডিওটি দেখলেই এবং এতে উল্লিখিত ব্যক্তিদের অতীত ইতিহাস পর্যালোচনা করলেই আসল সত্য বেরিয়ে আসবে। বর্তমানে ওই নারী কেন তার বক্তব্যের বিরুদ্ধে, সেই বিষয়টিও তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিক সমাজ।
সংবাদিক মহল থেকে অবিলম্বে মামুনুর রশীদ কাচুর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত অসত্য অভিযোগ প্রত্যাহার ও তাঁর নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানানো হয়েছে।#


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category