• রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫২ পূর্বাহ্ন
Headline
জনতার স্বপ্ন, জনতার আশা—বিল্লাল বেপারী জনগণের ভাষা জনতার স্বপ্ন, জনতার আশা—বিল্লাল বেপারী জনগণের ভাষা শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানালেন অ্যাডভোকেট বসুদেব দাস ও উজ্জ্বল শীল সান্তাহারে তিন শতাধিক বিএনপির কারা নির্যাতিত নেতা-কর্মীদের বিশাল সংবর্ধনা প্রদান দিনাজপুরে পুজামন্ডপ পরিদর্শন করলেন বিজিবি রংপুর রিজিয়নের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার কর্নেল ফয়সাল পঞ্চগড়ে প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও জমে উঠেছে সোনাতন ধর্মাবলম্বীদের বড় উৎসব দুর্গা পূজা, ভোলাহাট সীমান্তে ৫৯ বিজিবি’র অভিযান ৪৩ বোতল নেশাজাতীয় সিরাপ জব্দ রাজশাহীতে জমি ও দোকানঘর দখলচেষ্টার অভিযোগ, প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন নাচোলে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের মেগা ফাইনাল অনুষ্ঠিত মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত আনন্দ গুপ্ত, ঈদ-পূজায় পাশে দাঁড়ান অসহায় মানুষের

কাগজে-কলমে ডাক্তার, বাস্তবে শূন্য: রাত ৩টায় ৮ দিনের নবজাতক নিয়ে চিকিৎসাবঞ্চিত কয়রার মানুষ

মোঃ ফয়সাল হোসেন খুলনা জেলা প্রতিনিধি:- / ৭০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মোঃ ফয়সাল হোসেন খুলনা জেলা প্রতিনিধি:-
খুলনার কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরকারি নথিতে চিকিৎসক ও বিভিন্ন পদের তালিকা থাকলেও জরুরি সময়ে কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসাসেবা না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি রাত ৩টার দিকে মাত্র আট দিন বয়সী এক অসুস্থ নবজাতককে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে স্বজনরা চিকিৎসাসেবা না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন।
স্বজনদের দাবি, গুরুতর অসুস্থ নবজাতককে নিয়ে গভীর রাতে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের জানান, হাসপাতালে কোনো শিশু বিশেষজ্ঞ নেই। এ অবস্থায় শিশুটিকে দ্রুত খুলনায় নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় নবজাতকের স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তাদের প্রশ্ন, রাতের বেলায় জরুরি অবস্থায় একটি আট দিনের শিশুকে কয়েক ঘণ্টার পথ পাড়ি দিয়ে খুলনায় নেওয়া কতটা নিরাপদ? উপকূলীয় ও যোগাযোগ-সুবিধাবঞ্চিত এলাকার মানুষের জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স যদি সংকটময় সময়ে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিতে না পারে, তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে—এমন প্রশ্নও উঠেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক ও বিভিন্ন বিশেষায়িত পদের উপস্থিতি সরকারি কাগজপত্রে থাকলেও বাস্তবে অনেক সময় প্রয়োজনীয় চিকিৎসককে পাওয়া যায় না। বিশেষ করে রাতের জরুরি সময়ে রোগীদের খুলনা বা অন্যত্র রেফার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
তাদের ভাষ্য, উপজেলা পর্যায়ের সরকারি হাসপাতালটি উপকূলীয় মানুষের চিকিৎসার অন্যতম প্রধান আশ্রয়স্থল। কিন্তু জরুরি সময়ে চিকিৎসাসেবা না পেলে প্রত্যন্ত এলাকার রোগীদের দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে খুলনায় যেতে হয়। এতে গুরুতর রোগী ও নবজাতকদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।
এদিকে, একটি ঘটনার ভিত্তিতে পুরো হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য নেওয়া জরুরি। রাতের ওই ঘটনার বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা যেতে পারে।
স্থানীয়দের দাবি, কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার পাশাপাশি রাতদিন ২৪ ঘণ্টা কার্যকর জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে নবজাতক, শিশু ও সংকটাপন্ন রোগীদের জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও দ্রুত রেফারেল ব্যবস্থা কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category