• রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন
Headline
জনতার স্বপ্ন, জনতার আশা—বিল্লাল বেপারী জনগণের ভাষা জনতার স্বপ্ন, জনতার আশা—বিল্লাল বেপারী জনগণের ভাষা শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানালেন অ্যাডভোকেট বসুদেব দাস ও উজ্জ্বল শীল সান্তাহারে তিন শতাধিক বিএনপির কারা নির্যাতিত নেতা-কর্মীদের বিশাল সংবর্ধনা প্রদান দিনাজপুরে পুজামন্ডপ পরিদর্শন করলেন বিজিবি রংপুর রিজিয়নের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার কর্নেল ফয়সাল পঞ্চগড়ে প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও জমে উঠেছে সোনাতন ধর্মাবলম্বীদের বড় উৎসব দুর্গা পূজা, ভোলাহাট সীমান্তে ৫৯ বিজিবি’র অভিযান ৪৩ বোতল নেশাজাতীয় সিরাপ জব্দ রাজশাহীতে জমি ও দোকানঘর দখলচেষ্টার অভিযোগ, প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন নাচোলে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের মেগা ফাইনাল অনুষ্ঠিত মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত আনন্দ গুপ্ত, ঈদ-পূজায় পাশে দাঁড়ান অসহায় মানুষের

বাজারে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে রূপ চাঁদা নামে পরিচিত নিষিদ্ধ পিরানহা

মোঃ ফয়সাল হোসেন খুলনা জেলা প্রতিনিধি:- / ১২৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মোঃ ফয়সাল হোসেন খুলনা জেলা প্রতিনিধি:-
খুলনার কয়রা উপজেলার বিভিন্ন বাজারে নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ প্রকাশ্যে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। সন্ধ্যার দিকে বাজারগুলো ঘুরে দেখা গেছে, ক্রেতাদের কাছে অন্যান্য মাছের পাশাপাশি পিরানহা মাছও বিক্রি করছেন কয়েকজন ব্যবসায়ী।

সম্প্রতি কয়রা বাজার, আমাদী বাজার, ফুলতলা বাজার ও দেউলিয়া বাজারে সরেজমিন ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়। বাজারে মাছের পসরা সাজিয়ে প্রকাশ্যেই পিরানহা বিক্রি করতে দেখা গেছে।

কয়রা বাজারের মাছ বিক্রেতা ইউনুস আলী বলেন, ‘আমি জানি মাছটি নিষিদ্ধ। কিন্তু সবাই বিক্রি করছে, তাই আমিও বিক্রি করছি।’

এ সময় উপজেলার গোবরা গ্রামের ভ্যানচালক আক্তারুলকে পিরানহা মাছ কিনতে দেখা যায়। ভ্যানচালক আক্তারুলের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘মাছ তো মাছই। সবাই খাচ্ছে, তাই আমিও নিচ্ছি।’ তিনি জানান, প্রতি কেজি ২৬০ টাকার বেশি দরে তিনি এক কেজি পিরানহা কিনেছেন। তার ভাষ্য, অন্য মাছের তুলনায় পিরানহার দাম কম হওয়ায় তিনি এটি কিনেছেন।

তবে পিরানহা মাছের বেচাকেনা নিষিদ্ধ হলেও কয়রার বাজার ও মৎস্য আড়তে বিক্রি বন্ধ হয়নি। সরেজমিনে দেখা গেছে, সন্ধ্যার দিকে বিভিন্ন মাছের দোকানে ক্রেতাদের কাছে রূপচাঁদা বলে পিরানহা মাছ বিক্রি করা হচ্ছে।

মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, পিরানহা গোত্রের মাছ আমদানি, বহন, প্রজনন, চাষ, বিক্রি, বাজারজাত, প্রদর্শন ও মজুত নিষিদ্ধ। মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ বিধিমালা, ১৯৮৫-এর ১৬ নম্বর বিধিতে এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। ২০০৮ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি এ বিধি কার্যকর করা হয়।

মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের ভাষ্য, পিরানহা বাংলাদেশের জলজ পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এটি শিকারি স্বভাবের হওয়ায় দেশীয় মাছ ও জলজ জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি তৈরি করতে পারে। এ কারণে দেশে এ মাছের চাষ ও বাজারজাত নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

কয়রা উপজেলা মৎস্য অফিসার সমীর কুমার সরকার জানান, পিরানহা মাছ নিষিদ্ধ। কয়রা বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন বাজারে এ মাছ বিক্রির বিষয়টি তারা জানতে পেরেছেন। তিনি বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সুন্দরবন উপকূলীয় অঞ্চলের জলবায়ু, পরিবেশ ও বন রক্ষায় কাজ করা সুন্দরবন ইকো-রিজিলিয়েন্স ইনিশিয়েটিভের সমন্বয়ক মো. হাফিজুর রহমান বলেন, নিষিদ্ধ মাছ প্রকাশ্যে বিক্রি হলেও নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান না থাকায় ব্যবসায়ীরা এভাবে মাছ বিক্রির সুযোগ পাচ্ছেন। তার দাবি, বাজারগুলোতে অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ পিরানহার বিক্রি বন্ধ করার পাশাপাশি সরবরাহের উৎসও খুঁজে বের করা প্রয়োজন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category