• রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪১ অপরাহ্ন
Headline
দিনাজপুরে বউ মেলা’ জীবনসঙ্গী খুঁজতে আসবেন আদিবাসী তরুণ-তরুণীরা চাঁপাইনবাবগঞ্জে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ডিএনসির মন্দির পরিদর্শন চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জেলা পরিষদের উদ্যোগ: অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে মশারি বিতরণ নেতা হিসেবে নয়, জনগণের ভালোবাসার আসনে বসতে চাই: সুফিয়ান কবির শিপন টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে সচেতন যুবকদের অভিযানে, মাদক ব্যবসায়ীসহ( ৩ জন) আটক এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য জনতার স্বপ্ন, জনতার আশা—বিল্লাল বেপারী জনগণের ভাষা জনতার স্বপ্ন, জনতার আশা—বিল্লাল বেপারী জনগণের ভাষা শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানালেন অ্যাডভোকেট বসুদেব দাস ও উজ্জ্বল শীল সান্তাহারে তিন শতাধিক বিএনপির কারা নির্যাতিত নেতা-কর্মীদের বিশাল সংবর্ধনা প্রদান দিনাজপুরে পুজামন্ডপ পরিদর্শন করলেন বিজিবি রংপুর রিজিয়নের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার কর্নেল ফয়সাল

ঝালকাঠিতে ইবতেদায়ী মাদ্রাসা জাতীয়করণের দাবিতে মানববন্ধন

সফিকুল ইসলাম হিরু ঝালকাঠি প্রতিনিধি:- / ১১০ Time View
Update : বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬

সফিকুল ইসলাম হিরু ঝালকাঠি প্রতিনিধি:-

স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা জাতীয়করণের দাবিতে ঝালকাঠিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল এগারোটার দিকে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষক ঐক্যজোট ঝালকাঠি জেলা শাখার উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলার বিভিন্ন উপজেলার প্রায় অর্ধশতাধিক শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন।

কর্মসূচি শেষে একটি প্রতিনিধি দল জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করে।

মানববন্ধনে নেতৃত্ব দেন সংগঠনের ঝালকাঠি জেলা সভাপতি মাওলানা মো. আব্দুস ছালাম।

এসময় বক্তব্য রাখেন জেলা সহকারী সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুল ইসলাম, সদর উপজেলা সভাপতি মো. ইলিয়াস শাহ, সহ-সভাপতি মো. আবুল বাশার, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও কোষাধ্যক্ষ মো. রবিউল ইসলাম সহ আরো অনেকেই

বক্তারা বলেন, মাদ্রাসা শিক্ষার উন্নয়ন ও প্রসারের লক্ষ্যে ১৯৭৮ সালের অধ্যাদেশের মাধ্যমে আলিয়া মাদ্রাসার প্রাথমিক স্তর অনুমোদন দেওয়া হয় এবং ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড প্রায় ১৮ হাজার স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসাকে স্বীকৃতি দেয়।

পরবর্তীতে ১৯৯৪ সালে শিক্ষকদের ভাতা এবং ২০০১ সালে শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক ও উপবৃত্তি চালু করা হয়।

তবে ২০১৩ সালে বিপুল সংখ্যক প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হলেও স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসাগুলো এ উদ্যোগের বাইরে থেকে যায়। ফলে দীর্ঘদিন ধরে এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা বেতন-ভাতা ও চাকরির নিরাপত্তাহীনতায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে অভিযোগ করেন তারা। একইসঙ্গে শিক্ষার্থীরাও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, যা শিক্ষার মান উন্নয়নে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে।

বক্তারা আরও বলেন, ইতোমধ্যে জাতীয়করণের ঘোষণা দেওয়া হলেও তা বাস্তবায়িত না হওয়ায় বিষয়টি অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। আগামী ৩০ এপ্রিল এর মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হলে ৩ মে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বৃহত্তর কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হবে বলেও তারা জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category