• রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৮ অপরাহ্ন
Headline
নেতা হিসেবে নয়, জনগণের ভালোবাসার আসনে বসতে চাই: সুফিয়ান কবির শিপন টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে সচেতন যুবকদের অভিযানে, মাদক ব্যবসায়ীসহ( ৩ জন) আটক এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য জনতার স্বপ্ন, জনতার আশা—বিল্লাল বেপারী জনগণের ভাষা জনতার স্বপ্ন, জনতার আশা—বিল্লাল বেপারী জনগণের ভাষা শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানালেন অ্যাডভোকেট বসুদেব দাস ও উজ্জ্বল শীল সান্তাহারে তিন শতাধিক বিএনপির কারা নির্যাতিত নেতা-কর্মীদের বিশাল সংবর্ধনা প্রদান দিনাজপুরে পুজামন্ডপ পরিদর্শন করলেন বিজিবি রংপুর রিজিয়নের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার কর্নেল ফয়সাল পঞ্চগড়ে প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও জমে উঠেছে সোনাতন ধর্মাবলম্বীদের বড় উৎসব দুর্গা পূজা, ভোলাহাট সীমান্তে ৫৯ বিজিবি’র অভিযান ৪৩ বোতল নেশাজাতীয় সিরাপ জব্দ রাজশাহীতে জমি ও দোকানঘর দখলচেষ্টার অভিযোগ, প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন

কুলিয়ারচরে কালবৈশাখী ঝড় ও টানা দু’দিনের বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে ফসলী জমি, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

শাহীন সুলতানা, কুলিয়ারচর (কিশোরগঞ্জ) / ১৭৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬

শাহীন সুলতানা, কুলিয়ারচর (কিশোরগঞ্জ)

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে ঘরবাড়ি, গাছপালা ও রাস্তাঘাটের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পাশাপাশি দুদিনের টানা বৃষ্টিতে শত শত একর ফসলি জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন প্রান্তিক কৃষকরা। পানিতে ডুবে থাকা ধান দ্রুত কাটতে গিয়ে একদিকে বাড়তি মজুরি গুনতে হচ্ছে, অন্যদিকে বাজারে ধানের দাম কম থাকায় চরম দুশ্চিন্তায় দিন পার করছেন কৃষকরা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল থেকে কালো মেঘ জমে প্রবল দমকা হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টিপাত শুরু হয়। ঝড়ের তীব্রতায় গাছপালা উপড়ে পড়ে ঘরবাড়ি ও রাস্তাঘাটের ব্যাপক ক্ষতি হয় এবং মঙ্গল ও বুধবারের টানা দুদিনের বৃষ্টিতে মাঠের পাকা ও আধাপাকা ধানসহ বিভিন্ন ফসল পানির নীচে তলিয়ে গিয়ে নষ্ট হয়ে যায়।
সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা যায়, দুদিনের টানা বৃষ্টির কারণে নিচু এলাকার বিস্তীর্ণ জমি জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। পানির উচ্চতা বাড়ার আশঙ্কায় অনেক কৃষক আধাপাকা ধান দ্রুত কেটে ফেলার চেষ্টা করছেন। তবে এই সময়ে দেখা দিয়েছে তীব্র শ্রমিক সংকট। সুযোগ বুঝে শ্রমিকরা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি মজুরি দাবি করছেন। বর্তমানে একজন শ্রমিককে ১২০০ থেকে ১৩০০ টাকা পর্যন্ত দিতে হচ্ছে, যা সাধারণ সময়ের প্রায় দ্বিগুণ।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এক বিঘা জমির ধান কাটতে যে খরচ হচ্ছে, তা বর্তমান বাজারদরে বিক্রি করেও উঠানো সম্ভব হবে না। ফলে উৎপাদন খরচই তুলতে পারনে না অনেকেই।
দুর্দশার কথা তুলে ধরে এক কৃষক বলেন, “ধার করে চাষ করছিলাম। এখন ধান পানির নিচে। বেশি টাকায় শ্রমিক এনে ধান কাটতে হচ্ছে, কিন্তু বাজারে দামের অবস্থা খারাপ। কীভাবে চলবো বুঝতে পারছি না।”
এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ না নিলে কুলিয়ারচরের কৃষি খাতে বড় ধরনের ধাক্কা আসতে পারে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করে সরকারি সহায়তা প্রদান এবং ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
বর্তমানে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটছে এলাকার কৃষকদের। তারা দ্রুত কৃষি বিভাগের নজরদারি ও সরকারি সহায়তার অপেক্ষায় রয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category