• সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২১ পূর্বাহ্ন
Headline
ফুল-ফসলে সাজানো ব্যাংকার আরিফুলের খামার বাড়ি, স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক প্রশংসিত পঞ্চগড় উত্তর মিঠাপুকুর ফুটবল টুর্নামেন্টের মেগা ফাইনাল অনুষ্ঠিত। শ্রীপুরে মাদক ব্যবসায়ী কোকিলাকে অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ড দিল ভ্রাম্যমাণ আদালত নিখোঁজের তিনদিন পর মাটি চাপা শিশুুর লাশ উদ্ধার আটক -২ কুলিয়ারচর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হারুনুর রশিদের সুধী সমাবেশ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবি’র অভিযানে ভারতীয় মদ ও ফেন্সিডিল জব্দ পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া বাংলাদেশী যাত্রীদের বিএসএফের কাছ থেকে উদ্ধার ও ফেরত আনয়ন ৫৩ বিজিবি’র সফল তৎপরতা আদমদীঘিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্ধোধন প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ, মুচলেকায় নারীকে ছেড়ে দিল পুলিশ কুলিয়ারচরে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে ৬৫ বছরের বৃদ্ধ গ্রেপ্তার

ফুল-ফসলে সাজানো ব্যাংকার আরিফুলের খামার বাড়ি, স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক প্রশংসিত

আনিছুর রহমান নিজস্ব প্রতিবেদক: / ৯০ Time View
Update : রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আনিছুর রহমান
নিজস্ব প্রতিবেদক:

চট্টগ্রাম বাঁশখালীতে শখের বশে কৃষিকাজে যুক্ত হয়ে অনন্য এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ব্যাংকার আরিফুল ইসলাম। চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার সাধনপুর ইউনিয়নের ৮, ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যবর্তী সীমারেখা ছোট দিল্লার মুখ এলাকায় নিজ উদ্যোগে গড়ে তুলেছেন একটি বহুমুখী ফলজ বাগান, মৎস্য খামার এবং ছাগলের খামার।

গত ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইং তারিখ বিকেলে সরেজমিনে খামারটিতে গিয়ে দেখা যায়, পুরো খামারজুড়ে রয়েছে পেঁপে, বেগুন, মরিচ, লেবু, লিচু, কাঁঠাল ও মিষ্টি লাউসহ নানা প্রজাতির ফলন্ত গাছ। এছাড়া খামারবাড়ির প্রবেশমুখেই শোভা বাড়াতে রোপণ করা হয়েছে বিভিন্ন জাতের ফুলগাছ। ফুলগুলোর সুবাস আর মৌমাছির গুঞ্জনে সেখানে তৈরি হয়েছে এক মনোরম ও স্নিগ্ধ পরিবেশ। কৃষিকাজের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার পাশাপাশি পুষ্টির জোগান ও পারিবারিক চাহিদা মেটানোর লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নিয়েছেন আরিফুল ইসলাম।

ফলজ বাগানের পাশাপাশি তিনি খামারবাড়িতে ছাগল পালন ও মৎস্য চাষও সফলভাবে পরিচালনা করছেন। খামারের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে আরিফুল ইসলাম জানান, দিনমজুরের উচ্চ মজুরি এবং অন্যান্য খরচের তুলনায় উৎপাদিত ফল বাজারজাত করে আশানুরূপ লাভ না হলেও তিনি নিজের এই কাজে অত্যন্ত সন্তুষ্ট। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে নিয়মিত পরামর্শ ও সহযোগিতা পেলে ভবিষ্যতে খামারটি আরও বড় পরিসরে সম্প্রসারণ করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বর্তমানে পরিবারের দৈনন্দিন পুষ্টি ও খাদ্য চাহিদা মিটিয়ে উৎপাদিত অতিরিক্ত পেঁপে ও অন্যান্য ফসল স্থানীয় বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে। অদূর ভবিষ্যতে এখান থেকে উৎপাদিত কৃষিপণ্য ও আমিষের চাহিদা পূরণ করে এলাকার মানুষের কল্যাণে ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদী। একজন ব্যাংকার হয়েও কৃষিখাতে তাঁর এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ এবং কর্মতৎপরতা স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে প্রশংসা সৃষ্টি করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category