• রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৩ অপরাহ্ন
Headline
দুর্গাপূজায় সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বার্তা দিলেন খালেকুজ্জামান বাবলু। দিনাজপুরে বউ মেলা’ জীবনসঙ্গী খুঁজতে আসবেন আদিবাসী তরুণ-তরুণীরা চাঁপাইনবাবগঞ্জে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ডিএনসির মন্দির পরিদর্শন চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জেলা পরিষদের উদ্যোগ: অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে মশারি বিতরণ নেতা হিসেবে নয়, জনগণের ভালোবাসার আসনে বসতে চাই: সুফিয়ান কবির শিপন টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে সচেতন যুবকদের অভিযানে, মাদক ব্যবসায়ীসহ( ৩ জন) আটক এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য জনতার স্বপ্ন, জনতার আশা—বিল্লাল বেপারী জনগণের ভাষা জনতার স্বপ্ন, জনতার আশা—বিল্লাল বেপারী জনগণের ভাষা শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানালেন অ্যাডভোকেট বসুদেব দাস ও উজ্জ্বল শীল সান্তাহারে তিন শতাধিক বিএনপির কারা নির্যাতিত নেতা-কর্মীদের বিশাল সংবর্ধনা প্রদান

উদীয়মান সংগীতশিল্পী মেঘনা মজুমদার: সুরের জগতে এগিয়ে চলার গল্প

মোঃ ফয়সাল হোসেন খুলনা জেলা প্রতিনিধি:- / ১১০ Time View
Update : শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬

মোঃ ফয়সাল হোসেন খুলনা জেলা প্রতিনিধি:-

পাবনার ঐতিহ্যবাহী মজুমদার বাড়ির মেয়ে শিল্পী মেঘনা মজুমদার বর্তমানে সংগীতাঙ্গনে নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে এগিয়ে চলেছেন। ছোটবেলা থেকেই গানকে ভালোবেসে বেড়ে ওঠা এই তরুণ শিল্পী ইতোমধ্যে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সামাজিক আয়োজন ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে গান পরিবেশন করে শ্রোতাদের মন জয় করেছেন।
মেয়েটা যে তার পড়াশোনার জগতের পাশাপাশি সংগীতকেও আপন করে নেবে, তা কে জানত! চাচা পণ্ডিত বারীন মজুমদার ও দিম্পল শিল্পী হয়েও বাংলাদেশ, ভারত, লখনউ কিংবা ইটাওয়ার সংগীতজগতে সেভাবে নিজের নাম প্রতিষ্ঠা করতে পারেননি। তাই হয়তো সেই দায়বদ্ধতাটুকু তিনি দিয়ে গেছেন তাদের দুই সুযোগ্য সন্তান — মেঘনা (ব্রততী) ও বাপ্পা মজুমদারের ওপর।
বাপ্পা মজুমদার অনেক দূর এগিয়ে গেলেও, মেঘনাও কোনো অংশে কম নন। মেঘনা মনে করেন, রাউরকেলা স্টিল প্ল্যান্টের দেওয়া “সিঙ্গিং স্টার” উপাধিটিই তার সবচেয়ে প্রিয় অর্জন। সব ধরনের সংগীতেই তিনি পারদর্শী। তিনি তিনটি বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেছেন এবং দিল্লি রেডিওর একজন স্বীকৃত শিল্পী।
এছাড়া বৈবাহিক সূত্রে দীর্ঘদিন রাউরকেলায় বসবাসের কারণে উড়িষ্যা সরকার প্রতি বছর স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সাংস্কৃতিক কম্পাইলেশনে তাকে বিচারক হিসেবে মনোনীত করত।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, মেঘনা মজুমদার শৈশব থেকেই সংগীতচর্চার সঙ্গে জড়িত। পরিবারের উৎসাহ ও নিজের কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে ধীরে ধীরে তিনি একজন সম্ভাবনাময় শিল্পী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। আধুনিক গান, লোকগীতি ও দেশাত্মবোধক গান পরিবেশনেও তার রয়েছে বিশেষ দক্ষতা।
স্থানীয় সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তিরা জানান, মেঘনার কণ্ঠে রয়েছে আলাদা মাধুর্য, যা খুব সহজেই শ্রোতাদের আকৃষ্ট করে। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তার পরিবেশনা দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তার গান নিয়ে ইতোমধ্যে তৈরি হয়েছে আলাদা শ্রোতাপ্রিয়তা।
মেঘনা মজুমদার বলেন, “গান আমার ভালোবাসা। আমি সবসময় ভালো কিছু শেখার চেষ্টা করি এবং শ্রোতাদের ভালো গান উপহার দিতে চাই। সবার দোয়া ও ভালোবাসা নিয়ে সামনে আরও এগিয়ে যেতে চাই।”
সংগীতপ্রেমীরা মনে করছেন, সঠিক পৃষ্ঠপোষকতা ও সুযোগ পেলে মেঘনা মজুমদার ভবিষ্যতে দেশের সংগীতাঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন। পাবনার সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও তাকে নিয়ে দেখা দিয়েছে নতুন আশাবাদ।
তার এই সংগীত প্রতিভা যেন দুই বাংলার শিল্পীদের বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় ও এগিয়ে নিয়ে যায় — এটাই এখন সকলের প্রত্যাশা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category