• মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০২ অপরাহ্ন
Headline
তথ্যমন্ত্রীর সাথে সোমালিয়ার দারু সালাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. মিজানের সৌজন্য সাক্ষাৎ হাটহাজারীতে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান: কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার। কুলিয়ারচরে নাইট রোস্টার পদ্ধতিতে ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে ফার্মেসি অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের অভিযোগে দিশেহারা ব্যবসায়ীরা: ইজারাদারের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি প্রতিবন্ধীর দোকান দখলে দলীয় কার্যালয়: ৬ মাসেও কার্যকর পদক্ষেপ নেই পঞ্চগড় আটোয়ারীতে চা বাগানে চা-পাতা কাটার সময় বজ্রপাতে প্রাণ গেল শ্রমিকের পরিবারের কান্না’র আহাজারি পটিয়ায় নিরীহ সিএনজি চালক কে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি! পঞ্চগড়ে তৃতীয় শ্রেণী শিক্ষার্থীকে শ্রীলতা হানির ঘটনায় প্রধান শিক্ষক জনতার হাতে অবরোধ , চাঁপাইনবাবগঞ্জে হামের টিকাদান প্রায় লক্ষ্যমাত্রায়, হাসপাতালে ভর্তি ৮১ জন আদমদীঘিতে নিখোঁজ মেয়েকে পেতে গৃহবধূকে চাপ; পরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

আদমদীঘিতে নিখোঁজ মেয়েকে পেতে গৃহবধূকে চাপ; পরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি: / ৩৫৩ Time View
Update : শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি:
বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার পৌর শহরে এক গৃহবধূকে জোর পূর্বক একটি বাসায় নিয়ে শারীরিক নির্যাতন ও আটকের পর পালাক্রমে ধর্ষণে অভিযোগে চার জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গত বুধবার দিনগত রাতে সান্তাহার শহরের পূর্ব লোকো কলোনী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নির্যাতিতা গৃহবধূ নিজেই বাদী হয়ে গত শুক্রবার আদমদীঘি থানায় পাঁচ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। পুলিশ রাতেই মূল আসামিসহ চার জনকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- সান্তাহার পোস্ট অফিস পাড়ার নুর ইসলাম বাবুর ছেলে সাহেদুল ইসলাম সাহেদ (২১), শেখ আব্দুল বারেকের মেয়ে রুনা বেগম (৪৫), সান্তাহার পূর্ব লোকো কলোনীর তহিদুল ইসলামের ছেলে মিঠু হোসেন (২৭) ও একই এলাকার আইয়ুব আলীর ছেলে হৃদয় হোসেন (২০)। পুলিশ অপর এক আসামির গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে।
আদমদীঘি থানার মামলা সূত্রে জানা যায়, ওই গৃহবধূ তার স্বামীসহ সান্তাহার রেলওয়ে পূর্ব লোকো কলোনীর একটি বাসায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন। গত ২২ এপ্রিল পাশের বাসার আইয়ুব আলীর মেয়ে রহস্যজনক ভাবে নিখোঁজ হন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই দিন দিবাগত রাত ১১টার দিকে আইয়ুব আলী গৃহবধূ ও তার স্বামীকে সান্তাহার রেলগেটের একটি দোকানে ডেকে নিয়ে তার মেয়ে উদ্ধারে চাপ সৃষ্টি করেন। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে মামলার আসামি মিঠু হোসেন ও হৃদয় হোসেন দম্পতিকে মারধর করতে থাকেন। এ সময় স্বামী ভয়ে পালিয়ে যান।
মারধরের পর আসামি রুনা বেগম গৃহবধূকে তার বাসায় নিয়ে একটি ঘরে আটক রাখেন ও পাহারা দেন। রাত ২টার দিকে ওই ঘরে আসামি সাহেদুল ইসলাম সাহেদ ও আজান আলী নামের দুজন প্রবেশ করেন। তারা জোর পূর্বক পালাক্রমে গৃহবধূকে ধর্ষণ করেন বলে মামলায় দাবি করা হয়। পরে বিষয়টি কাউকে না বলার হুমকি দিয়ে চলে যান। পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে স্বামী ও স্বজনেরা গৃহবধূকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। শুক্রবার তিনি থানায় মামলা দায়ের করেন।
এ বিষয়ে আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের শনিবার বিকেলে বগুড়া আদালতে পাঠানো হয়েছে। নির্যাতিত গৃহবধূকেও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য আদালতে পাঠানো হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category