নিজস্ব প্রতিবেদক মর্নিং বিডি ডট নিউজ।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে দুই ভাইয়ের দ্বন্দ্বের জেরে সুইটি পেট্রোল পাম্প দীর্ঘ পাঁচ মাস যাবত বন্ধ রয়েছে।
পারিবারিক সূত্র থেকে জানা যায় মা জোহরা বেগম, বড় ভাই আপেল ও ছোট বোন সুইটি বলেন, সৈয়দ শাহনেওয়াজ হোসেন নবেল ও সৈয়দ আতাউর হোসেন মিলন এরা দুই ভাই ব্যবসায়ী পার্টনার ছিল একসাথে মিলে ১৯৯৫ হইতে ২০০৯ এপ্রিল মাস পর্যন্ত একসাথে ব্যবসা-বাণিজ্য করেন ব্যবসায় মতপার্থক্য সৃষ্টি ও ভাগাভাগি নিয়ে বিভেদ সৃষ্টি হলে, পাটনার সৈয়দ আতাউর হোসেন মিলন তার সম্পত্তি ও দোকানের নগদ অর্থ আলাদাভাবে ব্যবসা বাণিজ্য করতে চাই।
কিন্তু আরেক পাটনার সৈয়দ শাহনেওয়াজ হোসেন নবেল তার বউ এর পরামর্শে আওয়ামী লীগের প্রভাব খাটিয়ে সৈয়দ আতাউর হোসেন মিলনকে সম্পত্তি ও দোকানের নগদ অর্থ বুঝিয়ে নাদিয়ে জোরকরে বের করে দেয় এবং সম্পত্তিগুলি দখল করে নেই।
মা বাবা ভাই বোন আত্মীয়-স্বজন কারো কথায় সম্মত না হয়ে সে বউ এর পরামর্শ চলে এবং টাকা ছাড়া কাউকে চেনে না। ২০০৯ সাল থেকে ২০২৬ পর্যন্ত সাতবার বিচার সালিশের ব্যবস্থা করা হয়, সালিশ কমিটিতে ছিলেন আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি জিয়াউর রহমান, সাবেক এমপি লতিফুর রহমান, জেলা বিএনপি’র সভাপতি গোলাম জাকারিয়া, সাবেক মেয়র মাওলানা আব্দুল মতিন, আপন চাচা মিস্টার জনি, বেলাল আহমেদ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
বিচারক মন্ডলীর সাথে যোগাযোগ করে জানা যায়। দখলদার সৈয়দ শাহনেওয়াজ হোসেন নোবেল তার স্ত্রীর কথা ছাড়া অন্য কারো কথা শোনে না, সম্মানিত বিচারকমণ্ডলীদের সামাজিক সম্মানবোধ ও দেখায় না সে টাকার ব্যাপারে যাকে বলা হয় হারকিপটা মান সম্মান বলতে কিছু নাই।
মোট সাতবার বসেও সৈয়দ আতাউর হোসেন মিলনের ন্যায্য সম্পত্তি মেসাস সুইটি ফিলিং স্টেশন, আম বাগান ও নগদ ৮ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে আছেন। পাওনা দার সৈয়দ আতাউর হোসেন মিলনকে মাত্র ১ কোটি টাকা দিতে চায় ও বেদখল সম্পত্তিগুলো দিতে চাইনা এতে বিচারক মন্ডলীগণ মা, বড় ভাই, চাচা, একমাত্র বোন সকলের স্বীকার করেন।
সৈয়দ শাহনেওয়াজ হোসেন নবেল কাছ হতে নগদ অর্থ ও সম্পত্তি আদায় করা খুবই কঠিন। ন্যায্য টাকা সম্পত্তি দীর্ঘ ১৮ বছর যাবত না পাওয়ায় সৈয়দ আতাউর হোসেন মিলন হতাশায় ভুগছেন তার বিরুদ্ধে ৫ পাঁচটি মিথ্যা মামলাও করেছেন দখলদার। এদিকে পেট্রোল পাম্প বন্ধ থাকায় নাচোল উপজেলা বাসীর জনসাধারণ চরম দুর্ভোগে রয়েছেন