• শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ০৯:১৭ অপরাহ্ন
Headline
উদীয়মান সংগীতশিল্পী মেঘনা মজুমদার: সুরের জগতে এগিয়ে চলার গল্প বাংলাদেশ জার্নালিজম কনফারেন্স ২০২৬ এর শুভ উদ্বোধন, সাংবাদিকদের অধিকার কড়ায় গণ্ডায় বুঝিয়ে দিতে হবে, তেলকুপি সীমান্তে ৫৯ বিজিবির অভিযান ৭টি ভারতীয় মোবাইল ফোন জব্দ চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযান ১ কেজি গাঁজাসহ দুই নারী গ্রেফতার কিশোরগঞ্জ সদরে পিএমকে এর উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ পেয়েছেন ৪ শতাধিক রোগী চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মার চরাঞ্চলে নিজস্ব অর্থায়নে  ‘নৌ অ্যাম্বুলেন্স’ উদ্বোধন করলেন এমপি নূরুল ইসলাম বুলবুল আদমদীঘিতে গুরুত্বপূর্ণ ছয় দপ্তরে নেই প্রধান কর্মকর্তা; সেবায় স্থবিরতা সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে উত্তাল চাঁপাইনবাবগঞ্জ: জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি নওগাঁয় ডিবির পৃথক অভিযানে মাদকসহ দুইজন আটক, গাঁজার গাছ উদ্ধার

নওগাঁর আত্রাইয়ে জাল বিএড সনদের অভিযোগে সহকারী প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু

মুজাহিদ হোসেন, বিশেষ প্রতিনিধিঃ / ৩৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬

মুজাহিদ হোসেন, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় জাল বিএড সনদ ব্যবহার করে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ছাইয়েদা পারভিনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তার অপসারণের দাবিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, জেলা প্রশাসক ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন একই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক অফিজ উদ্দীন মীর। অভিযোগটি আমলে নিয়ে আগামী মঙ্গলবার তদন্তে যাওয়ার কথা রয়েছে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শাহাদাৎ হোসেনের।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রানীনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য ২০২০ সালের ১০ সেপ্টেম্বর দৈনিক সমকাল ও দৈনিক চাঁদনী বাজার পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এতে মোট ১১ জন প্রার্থী আবেদন করেন। ওই বছরের ১২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত নিয়োগ পরীক্ষায় মাত্র দুইজন প্রার্থী উপস্থিত থাকায় পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। যদিও ছাইয়েদা পারভিন আবেদন করেছিলেন, তবে তিনি পরীক্ষায় অংশ নেননি।

পরে, প্রথম বিজ্ঞপ্তির মেয়াদ থাকা সত্ত্বেও ২০২০ সালের ৩ ডিসেম্বর ‘দৈনিক মানবজমিন’ ও ‘দৈনিক সানশাহীন’ পত্রিকায় পুনরায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, গোপনে প্রকাশিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে পূর্বের আবেদনকারীদের পুনরায় আবেদন করার সুযোগ দেওয়া হয়নি, যা নিয়োগ বিধিমালার পরিপন্থী। এছাড়া পূর্বের আবেদনের তথ্য পরিবর্তন করে এবং কর্তৃপক্ষের যোগসাজশে চারজন প্রার্থীকে নতুন করে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ছাইয়েদা পারভিন তার আবেদনে ২০০৬ সালে রয়েল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জিপিএ ৩.৫০ পেয়ে বিএড পাস করেছেন বলে উল্লেখ করেন এবং ২০২১ সালের ৯ জানুয়ারি প্রকাশিত নিয়োগ ফলাফলেও ওই তথ্য অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে পরবর্তীতে এমপিওভুক্তির জন্য একাধিকবার অনলাইনে আবেদন করলে তা বাতিল হয়। এরপর তিনি ২০০৭ সালের বিএড সনদ জমা দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করলে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

এ ঘটনায় ২০২২ সালের ১৮ মে তৎকালীন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বিদ্যালয়ে সরেজমিনে তদন্ত করে বিএড সনদ জাল হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে প্রতিবেদন দেন। ফলে তিনি এখন পর্যন্ত এমপিওভুক্ত হতে পারেননি।

অভিযোগকারী শিক্ষক অফিজ উদ্দীন মীর বলেন, “দলীয় প্রভাব খাটিয়ে ছাইয়েদা পারভিন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন। এতে শিক্ষকদের ওপর বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি, শোকজ, বেতন কর্তন এবং আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন,বিদ্যালয়ে সুষ্ঠু শিক্ষার পরিবেশ ও আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তার অপসারণ বা প্রত্যাহার জরুরি।

এ বিষয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) ছাইয়েদা পারভিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,আমি বর্তমানে অসুস্থ। এ বিষয়ে এখন কোনো মন্তব্য করতে পারছি না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category