উপসম্পাদক তোতা মিয়া পঞ্চগড়
দেশের বিভিন্ন জেলায় বাইকারদের মানববন্ধন করতে দেখা গেছে তারা বলছেন আমরা বিলা সেতার জন্য মোটরসাইকেল ক্রয় করিনি প্রয়োজনীয়। কাজে মোটরসাইকেল কিনেছি। অতএব একটি গরু দুইবার জবাই হয় না। মোটরসাইকেল ক্রয়ের সময় ট্যাক্স ভ্যাট দিয়ে ক্রয় করা হয়েছে। আবার রেজিস্ট্রেশন করার সময় ট্যাক্স ভ্যাট দেয়া হয়। ড্রাইভিং লাইসেন্স এর সময় ঠিক একই রকম। আমরা কেউই বিলাসিতার জন্য মোটরসাইকেল ক্রয় করি নাই প্রয়োজনে বাইক ক্রয় করেছি তবে কেন মরার উপর এই খাড়ারঘা। সবকিছু ওকে থাকার পরেও শুধুমাত্র মোটরসাইকেলের উপর কর বসানো হলো এ নিয়ে জনমনে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। হচ্ছে নানা মনে কৌতহলের সৃষ্টি আবার অনেক জেলায় বাইকাররা মানববন্ধন করছে। বিশেষ সূত্র থেকে জানা যায় বাইকারদের প্রতি এ ধরনের কর বসালে বাইক বেচাকেনা অনেকটাই কমে আসবে। মানুষ আর মোটরসাইকেল ক্রয় করবে না। এ নিয়ে সংকোচ বোধ করছেন মোটরসাইকেল শোরুমের মালিকরাও। তাই প্রত্যেক বাইকারীর দাবি একটি পণ্যের উপর ৩-৪ বার কেন কর বসানো হবে। এছাড়াও তারা দাবি করছেন এমন কর বসানো তাদের মনে হচ্ছে শুধু বাংলাদেশে অন্যান্য দেশে এমন প্রজ্ঞাপন নেই। তাই বাইকাররা সবাই একত্রিত হয়ে রাস্তায় মানববন্ধনে নেমেছে এবং তাদের দাবি বাইকের উপর কেন একাধিক কর্মসানো হবে। এমনিতেই মানুষের আয় দিন দিন কমে আসছে প্রতিটি দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে তাহলে কেন মরার উপর খাড়ার ঘা। বাইকার’রা
কেওই বাড়তি কর দিতে রাজি নন অনেকে বলছেন প্রয়োজনে বাইক বিক্রি করে দিব।