জাহাঙ্গীর আলম জামালপুর প্রতিনিধি!
জামালপুর সদর উপজেলা গোপালপুর এলাকায় বায়নাপত্রের মাধ্যমে জমি ক্রয়ের পরও রেজিস্ট্রি সম্পন্ন না করায় এবং আবাদকৃত ফসল নষ্ট করার অভিযোগে এক নারীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘিরে স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক চাঞ্চল্যকর উত্তেজনা বিরাজ করছে।
অভিযোগকারী মোছাঃ কমলা বেগম জানান, তিনি গোপালপুর গ্রামের বাসিন্দা মোছাঃ জোবেদা বেগমের কাছ থেকে বায়নাপত্রের মাধ্যমে ৩০ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। জমিটির জন্য তিনি মোট ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা পরিশোধ করেন।
মৌজা: মোহনপুর দাগ নম্বর: ২৮৯খতিয়ান: সাবেক ৫৯, হাল ৪২
মোট জমি: ১.০৬ একরক্রয়কৃত অংশ: ৩০ শতাংশ
অভিযোগ রয়েছে, সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধের পরও অভিযুক্ত জোবেদা বেগম এখনো জমির রেজিস্ট্রি সম্পন্ন করেননি। বরং নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করছেন। এ নিয়ে একাধিকবার গ্রাম্য শালিশ বসানো হলেও তিনি উপস্থিত হননি বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, জমিতে আবাদ করতে গেলে তাদের বাধা দেওয়া হয় এবং হুমকি প্রদান করা হয়। পরদিন জমিতে গিয়ে দেখা যায়, আধা কাঁচাপাকা ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। তা দেখে কৃষক হাবিবুর রহমান হবি মাথায় হাত দিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন৷ কি কারণে ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তা
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ফারুক আহমেদ জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বিষ প্রয়োগের মাধ্যমে ধানক্ষেতের ক্ষতি করা হয়েছে যা ধানের বেশিরভাগ অংশ পুড়ে গেছে৷
ঘটনার সাক্ষী হিসেবে একাধিক স্থানীয় ব্যক্তি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন৷
এলাকাবাসীর দাবি— দ্রুত জমির রেজিস্ট্রি সম্পন্ন করতে হবে অথবা ক্ষতিপূরণসহ টাকা ফেরত দিতে হবে
পাশাপাশি অভিযুক্ত জবেদা বিরুদ্ধে যথাযথ তদন্ত মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী৷
স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত সমাধান না হলে পরিস্থিতি বড় ধরনের সামাজিক বিরোধে রূপ নিতে পারে।