আবুল কাশেম চট্টগ্রাম প্রতিনিধি।
দক্ষিণ চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার নাইখাইন ইউনিয়নে আরকান সড়কের পাশে নাইখাইন কৃষি উচ্চ বিদ্যালয় ও জঙ্গলখাইন ইউনিয়ন পরিষদের সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত একটি অবৈধ ফুলকলি ফ্যাক্টরি থেকে প্রতিদিন বিষাক্ত বর্জ্য ও কাদাযুক্ত পানি খাল-বিলে ফেলায় মারাত্মক পরিবেশ দূষণ সৃষ্টি হয়েছে। চারদিকে তীব্র দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী।
নাইখাইন, উজিরপুর, আমজুরহাট ও গৈড়লা এলাকার মানুষ গত দুই বছর ধরে এই ফ্যাক্টরি বন্ধ বা উচ্ছেদের দাবিতে আন্দোলন করলেও এখনো মেলেনি কোনো প্রতিকার। প্রশ্ন উঠেছে—কার খুঁটির জোরে চলছে এই অবৈধ কারখানা?
গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সরেজমিনে পরিদর্শনে গিয়ে চট্টগ্রাম-১২ আসনের সাংসদ এমানুল হক এনাম দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন প্রশাসনকে।
কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। আজ ৭ মার্চ ২০২৬ বিকেলে জাতীয় অনুসন্ধানী দৈনিক অপরাধ দমন পত্রিকা ও জি বাংলা২৪টিভি প্রতিনিধিরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেছেন—আগের মতোই চলছে ফ্যাক্টরির কার্যক্রম, ছড়ানো হচ্ছে বিষাক্ত বর্জ্য।
এলাকাবাসীর প্রশ্ন—প্রশাসনের নির্দেশের পরও কেন বন্ধ হচ্ছে না এই অবৈধ ফ্যাক্টরি? পরিবেশ ধ্বংসের দায় নেবে কে?