পঞ্চগড় প্রতিনিধি
পঞ্চগড়ে করতোয়া পেট্রোল পাম্পে পেট্রোল অকটেন বিক্রিতে অনিয়ম ও স্বজন প্রীতি চিত্র দেখা গেছে। (৩ এপ্রিল ২০২৬ শুক্রবার), সকাল ৯ টা থেকে পেট্রোল পাম্প গুলোতে পেট্রোল দেওয়ার কথা। সরে জমিনে দেখা গেছে সাধারণ মানুষের বেলায় ফুয়েল কাট ছাড়া কোন পেট্রোল অকটেন বিক্রির বৈধতা নেই। এমন তা অবস্থায় দীর্ঘক্ষণ পেট্রোল পাম্পে প্রচন্ড রোদের মধ্যে দাঁড়িয়ে থেকে দেখা মিলেছে অনিয়মের চিত্র। পেট্রোল পাম্পে পেট্রোল বিক্রয় স্থানের পশ্চিম পাশে ফোয়েল কার্ড এর মাধ্যমে প্রচন্ড রোদের লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে পেট্রোল অকটেন বিক্রি করছে, পূর্ব পাশে ফুয়েল কার্ড বিহীন স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে বিক্রি করতে দেখা গেছে পেট্রোল অকটেন। মধ্যেখানে বসে দেখভাল করছেন খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা। এ নিয়ে মাঝেমধ্যে ফুয়েল কার্ড ধারী ব্যক্তিরা রাগে ফুসলে উঠতে দেখা গেছে। দীর্ঘ তিন চার ঘন্টা রোদের মধ্যে দাঁড়িয়ে থেকে কেউ পাচ্ছে ২ লিটার পেট্রোল আবার কেউ পাচ্ছে ৫ লিটার পেট্রোল। দেখা গেছে সরকারি কর্মচারীদের জন্য কোন কিছুই প্রয়োজন হয় না। তারা সরাসরি এসে মোটরসাইকেলের ট্যাংকি ভর্তি করে তেল নিয়ে চলে যাচ্ছেন। অনেকে বলতে দেখা গেছে দেশে কি আইন দুই রকম, সরকারি লোকেরা পেট্রোল নিচ্ছে তাদের লাইনেও দাঁড়াতে হয় না। আবার মোটরসাইকেলের ট্যাংকি ভর্তি করে তেল নিয়ে যাচ্ছে। আর আমাদের ফোয়েল কার্ড নেই বিধায় সকাল নয়টা থেকে বেলা ১২ টা পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থেকে তাদের ঢং তামসা দেখছি এই বৈষম্যতা কেন। সরকারি কর্মচারীদের জন্য কি তাহলে আইন আলাদা। এ ধরনের কালো আইন চলবে না হয় সবাইকে ফোয়েল কার্ড এর মাধ্যমে পেট্রোল দিতে হবে, তা না হলে ফুয়েল কার্ড বিহীন সবাইকে পেট্রোল দিতে হবে। আমরা সরকারি বেসরকারি বুঝি না। সবারই সময়ের মূল্য আছে আজকে শুক্রবার পেট্রোল নিতে এসে নামাজের সময় পেরিয়ে যাচ্ছে তবুও আমরা পেট্রোল পাচ্ছি না। চারজন গণমাধ্যম কর্মী পাম্পের দেখভালকারী সরকারি কর্মকর্তাকে রিকোয়েস্ট করলেও তাদের কে ফোয়েল কার্ড ছাড়া তেল দেবে না বলে সাপ সাপ জানিয়ে দিয়েছেন খাদ্য অধিদপ্তরের পাম্পের দেখভাল কাড়ি কর্মকর্তা। জাস্ট দুপুর ১২ টার পর ফোয়েল কার্ড ছাড়াই মোটরসাইকেল ট্যাংকি বোঝাই করে পেট্রোল দিতে দেখা গেছে। অন্যদিকে পেট্রোল কালোবাজারে বিক্রি করতেও দেখা যায়। সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে সঠিকভাবেই করা উচিত অযথা আইন দেখিয়ে মানুষকে হয়রানি করার অধিকার কারো নেই বলে জানান সচেতন মহলের মানুষেরা। চারজন গণমাধ্যম কর্মী তাদের বিশেষ কাজে যাওয়ার জন্য করতোয়া পেট্রোল পাম্পে এসে খাদ্য কর্মকর্তা ও পেট্রোল পাম্প দেখভাল গাড়ি অফিসার কে রিকোয়েস্ট করে কিন্তু তিনি ফোয়েল কার্ড বিহীন পেট্রোল দেয়া যাবে না বলে সাপ সাপ জানিয়ে দেন। কিন্তু তিনি ওই জায়গায় বসা অবস্থায় তার পূর্বপাশে স্বজন প্রীতির মাধ্যমে পেট্রোল নিতে দেখা গেছে। এই সমস্ত বৈষম্য দূর করতে হবে তা না হলে আগামীতে পেট্রোল পাম্পে হয়তো মানুষ বিগ্রে গিয়ে সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। এ বিষয়ে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক মহোদয়ের কাছে ভুক্তভোগীদের আকুল আবেদন মানুষকে যেন পেট্রোল নিয়ে হয়রানি করা না হয় সেই দিকে সুদৃষ্টি রাখবেন।