আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ
জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে বগুড়ার আদমদীঘিতে দুই যুবককে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে জাহাঙ্গীর আলম নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। আহত দুই যুবক উপজেলা সদরের তালশন গ্রামের ওছমান গণির ছেলে ওয়ালিউল হাসান (২৮) ও মৃত সামছুল আলমের ছেলে সাবরুল আলম জিহাদ (২৬)। ঘটনাটি ঘটেছে গত মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রয়ারী) উপজেলা সদরের বাসস্ট্যান্ড এলাকায়। এ ঘটনার পরের দিন ১৮ ফেব্রয়ারি আদমদীঘি থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে।
মামলার এজাহার ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়ে তালশন গ্রামের ওছমান গণি ও একই উপজেলার উথরাইল গ্রামের অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর আলমের সাথে বিরোধ চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় এক পর্যায়ে ঘটনার দিন সকাল আনুমানিক ১০ টার দিকে ওছমান গণির ছেলে ওয়ালিউল ও তার ভাতিজা জিহাদ আদমদীঘি বাসষ্ট্যান্ড এলাকার পশ্চিম পাশে সিএনজি ষ্ট্যান্ডে পৌঁছলে অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৩/৪ জন পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে ওয়ালিউল ও জিহাদের উপর চড়াও হয় এবং হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো চাকু দিয়ে আঘাত করে। এতে করে ওয়ালিউলের বাম হাতের বেশ কয়েকটি রগ কেটে যায়। এছাড়া জিহাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক জখমের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা উদ্ধার করে আহত দুই যুবককে দ্রুত আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তির পর অবস্থার অবনতি হলে তাদেরকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। আহত দুই যুবক বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ পরিদর্শক ( এসআই) ইন্তেজারুল হক জানান, ঘটনার সাথে জড়িত অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর আলম বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় সেখানেই তাকে পুলিশি হেফাজতে নেয়া হয়েছে। হাসপাতাল থেকে রিলিজ পেলেই তাকে বগুড়া আদালতে পাঠানো হবে।