
জাহাঙ্গীর আলম | জামালপুর প্রতিনিধি
শারদীয় দুর্গোৎসবের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিন মহানবমী উপলক্ষে জামালপুর সদর উপজেলার নরুন্দি ইউনিয়নের তারাগঞ্জ দত্তবাড়িসহ বিভিন্ন পূজামণ্ডপে ভক্ত ও দর্শনার্থীদের ভিড় দেখা গেছে। দেবী দুর্গার বিহিত পূজা, অঞ্জলি, হোম-যজ্ঞ ও প্রসাদ বিতরণের মধ্য দিয়ে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হচ্ছে মহানবমী।
মঙ্গলবার ২০ অক্টোবর) মহানবমী উপলক্ষে সকাল থেকেই বিভিন্ন পূজামণ্ডপে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারী-পুরুষ ও শিশুদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। পরিবার-পরিজন নিয়ে পূজামণ্ডপে এসে দেবী দুর্গার দর্শন করছেন ভক্তরা। প্রার্থনা, আরতি ও প্রসাদ গ্রহণের মধ্য দিয়ে দেবীর আশীর্বাদ কামনা করছেন তাঁরা।
মহানবমী ঘিরে পূজামণ্ডপগুলোতে রয়েছে নানা ধর্মীয় আয়োজন। ঢাকের বাদ্য, পূজার মন্ত্রোচ্চারণ ও ভক্তদের প্রার্থনায় মুখর হয়ে উঠেছে মণ্ডপ প্রাঙ্গণ। আনন্দ-উৎসবের পাশাপাশি দেবী দুর্গার বিদায়ের ক্ষণ ঘনিয়ে আসায় ভক্তদের মনে দেখা দিয়েছে বিষাদের ছায়া।
পাঁচ দিনব্যাপী শারদীয় দুর্গোৎসবের শেষ পর্যায়ে এসে মহানবমীর পূজা ভক্তদের জন্য বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। মহানবমীর পর আগামীকাল বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এ বছরের শারদীয় দুর্গোৎসব।
তাই উৎসবের আনন্দের মাঝেও ভক্তদের কণ্ঠে এখন বিদায়ের সুর। দেবী দুর্গাকে বিদায় জানানোর প্রস্তুতির পাশাপাশি আগামী বছর আবারও আনন্দ ও উৎসাহের সঙ্গে শারদীয় দুর্গোৎসব উদ্যাপনের প্রত্যাশা করছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।
‘আসছে বছর আবার হবে’—এই প্রত্যাশা আর প্রার্থনায় মহানবমী পালন করছেন জামালপুরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপের ভক্ত ও দর্শনার্থীরা।