চট্টগ্রাম প্রতিনিধি।
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার বিভিন্ন উপজেলার ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের আগাম প্রচারণা, গণসংযোগ ও উঠান বৈঠক ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণ। বিশেষ করে ৫ আগস্টের পর অনেকের হঠাৎ জনসম্পৃক্ততা ও জনসেবার আগ্রহ বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের মনে উঠছে নানা প্রশ্ন।
অনুসন্ধানে উঠে আসছে, জনগণের পাশে দাঁড়ানোর চেয়ে দলীয় নেতাদের আশীর্বাদ পেতে অনেকের দৌড়ঝাঁপই এখন বেশি দৃশ্যমান। এলাকার উন্নয়ন কিংবা অসহায় মানুষের কল্যাণে অর্থ ও শ্রম ব্যয়ের নজির কতটুকু, সেই প্রশ্নও সামনে আসছে। দলীয় নেতাদের দরজায় কড়া নাড়লেই কি চেয়ারম্যান হওয়া যায়?
স্থানীয়দের প্রশ্ন—বন্যা, দুর্যোগ, সংকট কিংবা সাধারণ মানুষের বিপদের দিনে এসব সম্ভাব্য প্রার্থী কোথায় ছিলেন? এলাকার সড়ক উন্নয়নের নামে টালবাহানা, জনদুর্ভোগ ও দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধানে তাঁদের ভূমিকা কী ছিল? এখন ভোটের আগে প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি, অথচ অতীতের আমলনামা নিয়ে মানুষের মুখে মুখে নানা আলোচনা।
চেয়ারম্যান কি দলীয় নেতাদের ভোটে নির্বাচিত হবেন, নাকি ইউনিয়নের সাধারণ জনগণের ভোটে? মনে রাখতে হবে, জনপ্রতিনিধি হওয়ার পথ দলীয় সুপারিশে নয়, জনগণের আস্থা ও ভালোবাসায় তৈরি হয়। এবার শুধু প্রতিশ্রুতি নয়—অতীতের কাজের হিসাব-নিকাশ দেখেই প্রার্থীর যোগ্যতা যাচাই করতে চান ভোটাররা। চেয়ারম্যান হওয়ার স্বপ্ন দেখার আগে জনসেবার অতীত আমলনামা প্রকাশ করুন—এবার সিদ্ধান্ত জনগণের, জবাবদিহিও জনগণের কাছেই।