মোঃ পনির খন্দকার।
স্টাফঃ রিপোর্টার
০১৭৭৪৭৭৭৭১২
গাজীপুর ৫ আসনের তিনবারের সংসদ সদস্য,, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বি এন পির ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, সাবেক কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক, বর্তমান গাজীপুর জেলা বিএনপি'র নির্বাচিত আহবায়ক আলহাজ্ব একেএম ফজলুল হক মিলনকে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই গাজীপুরবাসী। দীর্ঘ প্রায় ৪৯ বছরের রাজনৈতিক জীবন দশায় তৃণমূল থেকে উঠে আসা, এই নেতাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা, সময়ের দাবি বলে মনে করছেন স্থানীয় বিএনপি নেতা কর্মী এবং ভোটারগন,বিভিন্ন তথ্যসূত্রে জানা গেছে ছাত্র জীবন থেকেই সক্রিয় ছিলেন মিলন। ১৯৮৫-৮৬ সনে যে কয়েকজন ছাত্রনেতা ছাত্র রাজনীতি করতেন তাদের মধ্যে ফজলুল হক মিলন ছিলেন তাদের মধ্যে একজন তিনি খুবই প্রভাবশালী, জনপ্রিয় ছাত্রনেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন। রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়ে সুফল বয়ে এনেছেন এবং ধীরে ধীরে জাতীয় রাজনীতিতে নিজের অবস্থান সুদৃঢ ও প্রতিষ্ঠিত করেছেন। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আন্দোলনে রাজপথের সক্রিয় ভূমিকাগুলো এখনো গাজীপুর বাসীর নজর কারে, জেল জুলুম অত্যাচার নির্যাতন সহ্য করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ছায়া তলে অবস্থান করেছেন। ফজলুল হক মিলন সর্বদা কর্মীদের সাথে কর্মীসুলভ আচরণ করেন কখনো তিনি নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার চিন্তা করেননি, তিনি সর্বদা স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী গণতন্ত্রের জননী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার একজন কর্মী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করেছেন।ফজলুল হক মিলনের আন্দোলন সংগ্রামের ভূমিকা কে কখনো ছোট করে দেখার সুযোগ নেই বলে মনে করেন গাজীপুর ৫আসনের সাধারণ ভোটারা।তিনবারের সফল সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে ফজলুল হক মিলন নিজের অবস্থান ও যোগ্যতা প্রমাণ করেছেন। কিন্তু এখনো তাকে কেন পূর্ণ মন্ত্রী করা হয়নি। তা আমাদের কাছে বোধগম্য হয়নি বলেই মনে করছেন গাজীপুরবাসি। কয়েকজন সচেতন নাগরিক জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগ আমলে গাজীপুর থেকে বেশ কয়েকজন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী ছিল। কিন্তু প্রশ্ন হল বিএনপি'র এমন একজন যোগ্য, অভিজ্ঞ ও জনপ্রিয়তা নেতাকে মন্ত্রিসভায় না রাখা খুবই দুঃখজনক বলে মনে করেন গাজীপুরবাসী। স্থানীয় বিএনপির একাধিক নেতাকর্মী জানান দল ও জনগণের প্রতি দীর্ঘদিনের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ফজলুল হক মিলনকে পূর্ণ মন্ত্রী করা উচিত। তারা আরও বলেন দলের দুঃসময়ে আন্দোলন সংগ্রামের ঝাঁপিয়ে পড়ে বারবার কারা বরণ করেছেন এই ফজলুল হক মিলন। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সাথে গভীর সু-খ্যাতি নারী বন্ধন। তাকে মন্ত্রিপরিষদে অন্তর্ভুক্ত করা হলে গাজীপুরবাসী গৌরব উজ্জ্বল হবে। গাজীপুরের সাধারণ মানুষের মাঝেও এ নিয়ে ব্যাপক প্রত্যাশা সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান দ্রুত এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন, এবং ফজলুল হক মিলনকে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের সুযোগ করে দিবেন। কয়েকজন ভোটার খুব প্রকাশ করে বলেন আর কতদিন অপেক্ষা করতে হবে গাজীপুরবাসীকে একটি সুখবর পেতে, তাছাড়া রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও জনপ্রিয়তা এবং সাংগঠনিক কর্ম দক্ষতা ফজলুল হক মিলন মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন। ওইদিকে গাজীপুর বাসির প্রত্যাশা দলের এই পরীক্ষিত জনবান্ধব, জননেতা, জননন্দিত নেতা কে যত দ্রুত সম্ভব পূর্ণ মন্ত্রী করা হলে, তা শুধু ব্যক্তি মিলনের স্বীকৃতি হবে না। বরং পুরো গাজীপুর জেলার প্রতিটি উপজেলাও নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে ভূমিকা রাখবে বলে আমরা গাজীপুরবাসী প্রত্যাশা করি।