শাহীন সুলতানা, কুলিয়ারচর (কিশোরগঞ্জ)
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে শারিল মিয়া (১৯) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রেমের সম্পর্কের পর বিয়ে, সংসার শুরুর মাত্র ছয় মাসের মাথায় তাঁর এমন মৃত্যুতে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের চরপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত শারিল মিয়া চরপাড়া এলাকার সাইফুল ইসলামের ছেলে। তাঁর মায়ের নাম রহিমা বেগম। প্রায় সাত মাস আগে নিকলী উপজেলার দক্ষিণ জাল্লাবাদ গ্রামের মল্লিক মিয়ার মেয়ে প্রমা আক্তারের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে তাঁদের বিয়ে হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় স্ত্রী প্রমা আক্তারের সঙ্গে শারিলের মনোমালিন্য হয়। পরে রাত ৯টার দিকে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে রাতের খাবার খাওয়ার জন্য ডাকতে গিয়ে ঘরের ভেতর থেকে কোনো সাড়া পাননি। দরজা ভেতর থেকে বন্ধ থাকায় পরে তা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন তাঁরা। এ সময় ঘরের কাঠের আড়ার সঙ্গে গামছা প্যাঁচানো অবস্থায় শারিলকে ঝুলতে দেখেন। দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে বেলাব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে কুলিয়ারচর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কিশোরগঞ্জের মর্গে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় নিহতের মা রহিমা বেগম বাদী হয়ে কুলিয়ারচর থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করেছেন।
কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. মোবারক হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কিশোরগঞ্জের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।